
অর্থনীতির ৩০ দিন সংবাদ :
মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা থাকাকালিন সময়ে জালিয়াতি ও প্রতারণা করে গোপনে তথ্য পাচারের অভিযোগে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (আইডিআরএ) লাইফ সদস্য ও ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লমিটেডের সাবেক মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা আপেল মাহমুদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে ফারইস্ট ইসলাম লাইফ। কোম্পানিটির আইন কর্মকর্তা মো. জসিম উদ্দিন গত ৪ আগষ্ট শাহবাগ থানায় মামলাটি করেন। মামলা নাম্বার-৯। সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫ এর ১৯, ২১ ও ২২ নং ধারায় এ মামলা করা হয়। মামলার অন্য আসামিরা হলেন- ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির আইটি বিভাগের ইনচার্জ লোকমান ফারুক ও এসিসট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট ওসমান গণি।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজসে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার জন্য ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের প্রধান কার্যালয়ের ডিজিটাল ডিভাইসে প্রবেশ করে প্রতারণার মাধ্যমে তথ্য ভান্ডার থেকে ৫৫ হাজার ৮৬ জন কর্মকর্তা-কর্মচারির জাতীয় পরিচয়পত্র, ব্যাংক হিসাব, মোবাইল নাম্বার, বেতন-ভাতা, কর্মচারির পরিচিতি নাম্বারসহ গোপনীয় তথ্য সাবলাইন লিমিটেড নামক একটি প্রতিষ্ঠানের কাছে সরবরাহ করে।
মামলার এজাহারে বলা হয়, এসব তথ্য সরবরাহ করায় প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তা-কর্মচারির জীবন ও সম্পদ হুমকীর মধ্যে রয়েছে।
ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির ৫৫ হাজার ৮৬ জন কর্মকর্তা-কর্মচারির ব্যক্তিগত গোপনীয় তথ্য পাচারের এই ঘটনা ঘটে ২০২৪ সালের ২৭ মে। আর আপেল মাহমুদ বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ)’র সদস্য হন ২০২৪ সালের ২ ডিসেম্বর।
অভিযোগের বিষয়ে আপেল মাহমুদ গণমাধ্যমে জানান, সরকারের ডিজিটালাইজেশন কার্যক্রমকে সহযোগিতা করা এবং কোম্পানির বীমা ব্যবসা বৃদ্ধির সুযোগ তৈরির লক্ষ্যে পরিচালকদের সিদ্ধান্ত অনুসারে সাবলাইন লিমিটেডকে তথ্য সরবরাহ করা মাত্র। সাবলাইন লিমিটেডকে তথ্য সরবরাহ করার বিপরিতে এখানে কারো আর্থিক লাভবান হওয়ার কোন রকম সুযোগ নেই।










