তাইপে ইনভেস্টমেন্ট সামিট ২০২০ থেকে ২০ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ সম্ভাবনা

33th CACCI Conference পরবর্তী সংবাদ সম্মেলন
অর্থনীতির ৩০ দিন প্রতিবেদক :
২০২০ সালে অনুষ্ঠিতব্য তাইপে ইনভেস্টমেন্ট সামিট ২০২০ থেকে বাংলাদেশে ২০ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলারের বিনয়োগ সম্ভাবনা রয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) স্থানীয় এক হোটেলে এফবিসিসিআই ও কনফেডারেশন অব এশিয়া প্যাসিফিক চেম্বার্স অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির (সিএসিসিআই) যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান এফবিসিসিআই সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম। এসময় সিএসিসিআই সভাপতি মি. সামির মোদিও উপস্থিত ছিলেন।
এফবিসিসিআই সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম বলেন, এই প্রথম বারের মত বাংলাদেশে ঈঅঈঈও ঈড়হভবৎবহপব অনুষ্ঠিত হল যার মাধ্যমে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে যে নেটওয়ার্ক তৈরী হয়েছে তাতে খুব শিঘ্রই একটি বড় বিনিয়োগ আসতে চলেছে। অবকাঠামো, পর্যটন, অটোমোবাইলসহ দেশের বিভিন্ন খাতে এ বিনিয়োগ হবে। ঈঅঈঈও অর্থনৈতিক জোনের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। সেখানে ঈঅঈঈও সদস্য দেশগুলো বিনিয়োগ করতে পারবে। ২০২০ সালে তাইপেতে ‘তাইপেইনভেস্টমেন্ট সামিট ২০২০’ অনুষ্ঠিত হবে সেখানে ২০.৮ বিলিয়ন ডলারের একটি বিনিয়োগপুল আমরা আইডেন্টিটিফাই করেছি। সেখানে ইনফাস্ট্রেকচার, হসপিটালিটি, মোটরবাইকের বাইপার্টসলিংকেজসহ অন্যান্য ইন্ড্রাস্ট্রিতে বিনিয়োগ হবে। এই বিনিয়োগ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোতে হবে৷ এফবিসিসিআই এবং কনফেডারেশন অব এশিয়াপ্যাসিফিক চেম্বার্স অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি (সিএসিসিআই) যৌথভাবে তাইপেইনভেস্টমেন্ট সামিট ২০২০ আয়োজন করবে।

এর আগে এফবিআই এবং কনফেডারেশন অব এশিয়া প্যাসিফিক চেম্বার্স অবকমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির (সিএসিসিআই) যৌথ আয়োজনে ৩৩ তম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। দুদিনের সম্মেলন থেকে প্রাপ্তি সম্পর্কে জানাতেই এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশসহ ২৮ টি দেশ এতে অংশ নেয়।
সম্মেলনে দুটি চুক্তি সই হয়েছে জানিয়ে শেখ ফাহিম বলেন, ‘এই কনফারেন্সে মস্কো চেম্বার অবকমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির সাথে একটি এমওইউ স্বাক্ষর হয়েছে। বাংলাদেশের সকল চেম্বারসহ এফবিআইয়ের সদস্য সংস্থাগুলো ই-চেম্বারের গ্লোবাল প্ল্যাটফর্মে সংযুক্ত হবে। এতে আমাদের রিমোট এলাকার চেম্বারের সদস্যরা তাদের পণ্য বিটুবি প্ল্যাটফর্ম থেকে গ্লোবাল প্ল্যাটফর্মে একসেস পাবে’।
তিনি বলেন, ‘যেমন ফার্নিচার এসোসিয়েশনের মেম্বাররাও এই নেটওয়ার্কে যাবে৷ বিটুবি প্ল্যাটফর্র্মে তাদের পণ্য ডিসপ্লে করতে পারবে, এতে তাদের মার্কেট শেয়ার আরও বাড়বে। কোন বিনিয়োগ ছাড়াই।’
অন্য চুক্তি প্রসঙ্গে ফাহিম বলেন, ‘আরেকটি চুক্তি হয়েছে ইন্টারন্যাশনাল কলেজ অব এডাভান্স ইলেডুকেশন অস্ট্রেলিয়ার সাথে। উনারা আমাদের এফবিসিসিআইয়ের সাথে ট্রেনিং মডিউল শেয়ার করবে। এর ফলে আমাদের উদ্যোক্তাদের কর্ম সক্ষমতা বাড়বে।’
সিএসিসিআই সভাপতি মি. সামির মোদি জানান, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন খুবই আশাব্যঞ্জক। বিদেশী বিনিয়োগের জন্য বাংলাদেশ এখন পুরোপুরি প্রস্তুত। এখানে আমরা আগের চেয়ে অধিক বিনিয়োগ করতে আগ্রহী। এমনকি মোদি গ্রুপও খুব শীঘ্রই বাংলাদেশে তাদের কার্যক্রম শুরুকরবে’।