খোন্দকার জিল্লুর রহমান :
দুষ্টি কলমটা যে আমায় সুষ্ঠ থাকতে দেয় না,
সারাক্ষন করে বিরক্ত যেন তার ভাল লাগেনা।
একটার পর একটাই সবসময় তার লেগে আছে বায়না,
আমি নাকি রেগুলার তাকে কাজে লাগাই না।
রাগে অনুরাগে আমাকে সে দেয় সবসময় ফাঁকি,
লিখা অর্থপুর্ন হয়না বলে শুনতে হয় কেবল বকাবকি।
কলমটা পকেটে রাখলেই বলেউঠে এ কেমন হালচাল,
পকেট টা নষ্ট করে দেয় বমি করে এক গাল।

কলমটাকে বলি সবসময় তুমি থাকতে পারনা শান্ত ?
বিরক্ত করতে করতে আমায় করে তোল অশান্ত।
আমার লেখা কেউ কখনো চায় না ইচ্ছে করে পড়তে,
তবুও আমাকে অসুস্থ করে কলম দিয়ে লেখালেখি করতে,
কি লিখতে কি লিখে ফেলি জ্ঞানীদের হয়না পছন্ধ,
অর্থহীন লেখা লিখি বলে সবাই করে শুধু গালমন্দ।
সমাজকে শিক্ষা দেওয়ার মত আমি পারি না কিছুই লিখতে,
জ্ঞানীরা আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছে লেখার সমালোচনা করতে।
লেখা হউক যাচ্ছে-তাই মুল্যবান কোন অর্থ নাই,
দুষ্টি কলমটা তবুও বলে তাকে দিয়েই যেন লিখে যাই।
মাঝে মাঝে দুষ্টি কলমটা যেন হয়ে যায় ভাষাহীন ও শক্ত,
একটুও ছাড় দেয়না আমাকে রাখে কলমের প্রতি আসক্ত…।
হাত জোড় করেও যদি বলি আমাকে দাও এবার মুক্তি,
তখনই কেন যেন বেড়ে যায় কলমের প্রতি আশক্তি।
ভাব প্রকাশের যা কিছু আছে লিখতে নেই লজ্জা-শরম,
তাইতো তাকে দিয়েছি নাম তার “দুষ্টি কলম”।
___________××××××____________












