

খোন্দকার জিল্লুর রহমান :
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বহনকারি চার্টাড বিমানের লন্ডন অবতরনের স্লট দিয়েও তা বাতিল করা হয়। হিথরো বিমান কতৃপক্ষ শেখ হাসিনাকে বহনকারি বিমানের স্লট বাতিল করে দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে বৃহস্পতিবার অবতরন করতে হয় স্টান্ড ষ্ট্রিট বিমান বন্দরে। আগষ্ট মাসে বাংলাদেশ কতৃপক্ষ প্রধামন্ত্রীর চার্টার্ড ফ্লাইট অবতরনের জন্য হিথরো বিমান বন্দর কতৃপক্ষের কাছে স্লট চেয়ে পত্র পাঠায়। সেই স্লট বরাদ্ধও দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু ১লা সেপ্টেম্বরে হিথরো কতৃপক্ষ জানিয়ে দেয় এই স্লট বরাদ্ধের অনুুমতি বাতিল করা হইল। হিথরো কতৃপক্ষ পরামর্শ দেয় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী যেন যাত্রিবাহী বিমানে লন্ডন আসেন। অনেক দেন দরবার করেও যখন কোন সুরাহা হচ্ছেনা তখন বাংলাদেশ কতৃপক্ষ তাদের টার্গেট টেলিভিশনের মাধ্যমে অন্য আরেকটি স্লটের বুকিং দেয়। কিন্তু শেষ মুহুর্তে হিথরো কতৃপক্ষ সেই এভিয়েসন কোম্পানির মাধ্যমে নেয়া স্লটটি বাতিল করে দেয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ কতৃপক্ষ রিতিমত বিপাকে পড়ে যায়। স্টান্ড ষ্ট্রিট নেটহোল্ড গেটউড বিমান কতৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করা হয় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর চার্টার্ড ফ্লাইট অবতরনের জন্য। শেষ মুহুর্তে ঠিক হয় সেন্ট্রাল লন্ডন থেকে ৪২ মাইল উত্তর পুর্বে স্টান্ড ষ্ট্রিট বিমান বন্দরে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারি চার্টার্ড ফ্লাইট অবতরন করানো হবে। আর এর জন্য চেষ্টা চালানো হয়েছিল প্রাইভেট একটি এভিয়েশন কোম্পানির মাধ্যমে। অবশেষে স্টান্ড ষ্ট্রিট বিমান বন্দর ব্যবহার করনের জন্য নিজেদের অনুমতি প্রাপ্ত হ্যারডস এভিয়েশন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চার্টার্ড ফ্লাইট অবতরনের জন্য কাজ হাতে নেয়। এবং একাজের জন্য তাদের প্রায় ৫০,০০০/-(পঞ্চাশ হাজার) পাউন্ড ফি দিতে হয়েছে। এসময় স্টান্ড ষ্ট্রিট কতৃপক্ষকে বুঝাতে হয়েছে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রানি দ্বিতিয় এলিজাবেদের শেষকৃত্ত অনুষ্ঠানে অংশ নিতে লন্ডনে আসছেন। হ্যারডস এভিয়েশন কতৃপক্ষ শেষপর্যন্ত শেখ হাসিনাকে বহনকারি চার্টার্ড ফ্লাইট অবতরনের স্লট পেয়েও শেখ হাসিনাকে বহনকারি বিমানটিকে দুই ঘন্টার বেশি সময় অবতরনের অনুমুতি দেয়নি। এই দুই ঘন্টা পরে চার্টার্ড ফ্লাইটটিকে ঢাকার উদ্যেশ্যে লন্ডন ত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছে।
সুত্র : ম্যাক্স মিডিয়া, লন্ডন











