অর্থনীতির ৩০ দিন ডেস্ক :
সরকারের প্রতি ব্যাংক খাতে ‘লুটপাটকারীদের‘ বিরুদ্ধে ন্যূনতম সহিষ্ণুতা না দেখানোর আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের জোট শরিক জাসদের সাধারণ সম্পাদক শিরীন আখতার।
সংসদে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় তিনি বলেন, ব্যাংকিং খাতের লুটেরাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। কিছু সংখ্যক লুটপাটকারীর জন্য ব্যবস্থা নাজুক হয়ে যাবে সেটা হয় না। এই লুটপাটকারীদের ব্যাপারে শূন্য সহিষ্ণুতা দেখাতে হবে।
আওয়ামী লীগের আরেক জোট শরিক ওয়ার্কার্স পার্টির ফজলে হোসেন বাদশা বলেন, অর্থমন্ত্রী বলেছেন, টাকা পাচার হয়। এটা যদি বন্ধ করতে না পারি, আমাদের ব্যাকিংসহ সব ক্ষেত্রে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে না পারি তবে বাংলাদেশকে উন্নত দেশে রূপান্তর করার সরকারের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন হবে না। প্রতি বছর দেশ থেকে বিপুল অর্থ পাচার হয়ে যাচ্ছে। কারা অর্থপাচার করছে তা খুঁজে বের করতে হবে।
গত ১০ বছরে বাজেটের আকার বাড়লেও দেশের জনশক্তির কর্মসংস্থান বাড়েনি। এই বাজেট সকল মানুষের স্বার্থ রক্ষা করছে কি না, সেটিই বড় প্রশ্ন।
তিনি বলেন, বিশাল বাজেট কীভাবে জনগণের স্বার্থের অনুকূলে কাজে লাগানো হচ্ছে সেটাই হচ্ছে মূল প্রশ্ন। প্রত্যেকবার বাজেট প্রণয়নের সময় আমরা প্রশ্ন তুলেছি, বহু টাকার বাজেট আসে কিন্তু এত কোটির টাকার বাজেটের মধ্য থেকে কত জনশক্তির কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে?
আগে বলা হচ্ছিল, প্রতিবছর শ্রমশক্তির বাজারে ২২ লাখ মানুষ আসে। এ বছর বলা হল, ২০ লাখ আসবে। তাহলে এই যে ২০ লাখ শ্রমশক্তির কর্মসংস্থানের লক্ষ্যমাত্রা বাজেটে পাইনি। অর্থনীতির যে ফাঁক রয়ে গেছে তা পূরণ করতে না পারলে অগ্রগতিতে ধস নামবে।
বাজেট আলোচনায় অন্যদের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন আফতাব উদ্দীন সরকার, এ কে এম ফজলুল হক, তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম, তাজুল ইসলাম, কামাল আহম্মেদ মজুমদার, ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ, শামসুল হক চৌধুরী, সফুরা বেগম, ফিরোজা বেগম, উম্মে কুলসুম স্মৃতি, তানভীর ইমাম, আব্দুল ওয়াদুদ, এনামুর রহমান, লায়লা আরজুমান্দ বানু, নুরজাহান বেগম, জাতীয় পার্টির আব্দুল মুনিম চৌধুরী, মো. ইয়াহিয়া চৌধুরী।












