শিরোনাম : -জাতীয় বীমা দিবস-২০২৪


লেখক : খন্দকার হেদায়েত উল্লাহ (রঞ্জু)

হয়না রোজগার সমানভাবে সারাজীবন,
ছাড়েনা সঙ্গ দুঃখ-জরা আছে যত আর্থিক অনটন!

অনাকাংখিত অভাব এসে দাড়ায় দরজায় যখন,
পালালেও বন্ধু-বান্ধব প্রিয়জন সঞ্চয় থাকে পাশে তখন।

উপার্জনক্ষম ব্যক্তি যদি অকালে যায় অক্কা,
আর্থিক ছাতা হয়ে পরিবারের পাশে থাকে বীমা!

পতিহারা বিমর্ষ যুবতী বিধবা সহায়হীন পত্নী,
জীবদ্দশায় লেখা প্রেমপত্র বীমা হবে আর্থিক স্বামী!

প্রকৃতির শাশ্বত রুদ্ররূষে হারায় শারীরিক শক্তি,
ভারসাম্য রক্ষায় সুময়ের সঞ্চয়-অসময়ের নিখুঁত খুঁটি।

দুর্ঘটনা বা পক্ষাঘাতে অসহায় জীবনে অন্ধকার,
কিস্তি ছাড়া মাসিক ভাতা বীমা গ্রহীতা পাবে চমৎকার !

নাগরিক সুবিধা-সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর ভিত্তি,
শিক্ষা-চিকিৎসা শিল্প সুরক্ষায় নিয়োজিত বীমাপ্রহরী।

কর্মসংস্হান ও বিনিয়োগের পূর্বশর্ত পুঁজি গঠন,
বীমা সৃষ্টি করছে গ্রামীণ জনপদে সঞ্চয়ের সামাজিক আন্দোলন।

বেকারত্বের কষাঘাতে যুবক সঙ্গাহীন যখন,
দু’হাত বাড়িয়ে আত্মকর্মসংস্থানে বীমা ঢাকে তখন!

বীমা ছিল একমাত্র প্রাতিষ্ঠানিক পেশা বঙ্গবন্ধুর,
বীমায় কাজ করুন আদর্শের সৈনিক যত দাবীদার।

ঘরে ঘরে বীমা পৌঁছে দেবে দেশ গড়ার আহব্বান,
জাতীয় বীমা দিবসে হউক সেই দৃঢ় প্রত্যয়ী অঙ্গিকার!