

কবিতাটির প্রতিটি লাইন ১৭ অক্ষরের ছন্দ মিলে তৈরি করা।

কলমে : খোন্দকার জিল্লুর রহমান
তারিখ : ২০/০৫/২০২৪ সকাল
ভোরের সূর্যালোক হৃদয়কে করে আলোকিত
নীলাভ আকাশ মেঘমালায় থাকে পুলকিত,
উৎফুল্ল চিত্তে যখন আনমনা হেটে চলি
অবচেতন মনে নিজেই নিজের কথা বলি।
দিবা রাত্র অহর্নিশ বয়ে চলেছে শ্রোত ধারা
খাল বিল নদী সাগরের শ্রোতে পাগল পারা,
পাহাড়ের কান্না দেখেও হইনিকো দিশেহারা
বিরামহীন অশ্রুজলে সিক্ত ক্লান্ত সন্ধ্যা তারা।
তিমির রাত্রি ক্লান্ত পথিক নির্ঘুম রাত কাটে
সম্মুখে তার ঘোর অন্ধকার অজানা অকপটে,
কল্পনার দৃষ্টি স্বাদে অপুর্ণ মৌনতায় ঘেরা
নীলক্ষায় নীল কল্পনা স্বপ্নিল থাকে অধরা।
অতৃপ্ত আকাঙ্ক্ষা পাওয়া না পাওয়ায় অভুক্ত
বিনিদ্র আঁখি সীমাহীন কল্পনায় থাকে সিক্ত,
শংকিত মন থাকে সর্বক্ষন ধুধু বালুচরে
অসাধ্য মন নিবৃত দহন নিত্য চরাচরে।
পাথরের দেবতা জ্ঞানের স্বল্পতা নগ্ন মুর্তি
কুসংস্কারে পুর্ণ হৃদয় বিধির্ণ মিথ্যায় তৃপ্তি,
নিশীথের কান্না অদেখা বেদনা বাহ্যিক হাসি
থাকে আজীবন অব্যক্ত মন অশ্রু রাশি রাশি।
মানুষের মন কি যানি কখন আশায় সাজে
তবুও আশা থাকে দুরাশা না পাওয়ার মাঝে,
জন্ম একা মৃত্যু একা জীবন চলে দীর্ঘশ্বাসে
অশান্ত মন কাটে সর্বক্ষন নিত্য অবিলাসে।












