শিরোনাম : “বাতাসে লাশের গন্ধ”(দুষ্টি কলম)

   
কলমে : খোন্দকার জিল্লুর রহমান
আমি ধ্বংস‘পের মাঝে দাঁড়িয়ে লাশের গন্ধ খুঁজছি
স্বাধীন দেশে লাল সবুজের পতাকায় আবার লাশের গন্ধ
আমাকে লাশ দাও আমাকে একটা লাশ দাও
লাশের গন্ধে আমার মৃত্যু আমি নিজেই ভুলে গেছি
লাশের উপর নিত্য করা আমার কাজ হয়েছে
আমি লাশের গন্ধ খুঁজছি শ্মশানে লাখো কঙ্কালের মাঝে
শ্মশানে লাশের গন্ধ খুঁজতে আমি শ্মশানে লাশের উপর নিত্য করছি
আমাকে বাঁচতে দাও আমি বাঁচতে চাই কিভাবে বাঁচতে চাই আমি নিজেও বুঝি না
একটা লাশ আমি চাই শ্মশানের মরা লাশের গন্ধ হতে বের হতে চাই
আমি শ্মশানের মরা লাশের গন্ধ পেতে চাই,একটা রাজকঙ্কাল খুঁজে বেড়াই৷
আমি দেখতে পাচ্ছি না কোথায় সে কঙ্কাল
আমি পাইনা কারো পার্থক্য, অত্যাচারী রাজার কঙ্কাল
নাকি এটা বিবেকবান সমৃদ্ধ মানুষের কঙ্কাল
আমি নিজেই অনাবৃত্ত সাধনায় আগ্রহভরে কঙ্কাল খুঁজছি
এর আবর্তে আমি কঙ্কালের দিকে এগিয়ে চলছি
কঙ্কাল আমাকে ধরে বলে একটা লাশ দাও আমি একটা কঙ্কাল দেবো
এর মধ্যে পার্থক্য আছে কি, কোনটা রাজার কঙ্কাল
কোনটা প্রজার কোনটা ভিখারির কঙ্কাল পার্থক্য করে আনতে পারি নাই।
লাশের গন্ধে বিবেক বর্জিত হয়ে জ্যান্ত লাশ খুঁজে বেড়াই
মরন অস্ত্রের কথা ভুলে গেছি আমি ভাগ্য বিধাতায় বিশ্বাস ভুলে গেছি
আমি ভুলেই গেছি মানুষের ভাগ্যবিধাতার দহন
আমি জ্যান্ত লাশের গন্ধে সব ভুলে গেছি
আমার নেশা আমাকে মত্য করে তুলেছে
আমি আরও একটা লাশ চাই আরও একটা লাশ চাই।
প্রত্যেকটি লাশ যেন আমাকে ঘিরে আছে
মৃত্যু পথযাত্রী হয়েও আমার লোভাতুর স্বভাব বাদ দিতে পারিনাই।
পরিবর্তন করতে পারিনি সেই লাশ খুঁজার নেশা।
আমি বাতাসে লাশের গন্ধ খুঁজছি আমি নদীতে লাশ খুঁজছি
আমি পানিতে লাশের গন্ধ পাইতেছি আমি লাশের সংখ্যা গুনছি
এর থেকে আমি মুক্তি চাই মুক্তি চাই মুক্তি চাই।