স্বাধীন স্বায়ত্তশাসন প্রিতষ্ঠায় সংস্কার বাংলাদেশ ব্যাংকে

অর্থনীতির ৩০ দিন সংবাদ :
স্বনির্ভর আর্থিক ব্যবস্থা গড়ার পিরকল্পনায় বাংলাদেশ ব্যাংক পেতে যাচ্ছে পূর্ণ স্বাধীনতা ও স্বায়ত্তশাসন । দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকটিকে একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে রূপান্তরের উদ্যোগ নিয়েছে বর্তমান অন্তবর্তিকালীন সরকার। এ লক্ষ্যে একটি অধ্যাধেশ জারি হোয়ার অেপক্ষায়। এটি করা হলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কেবল জাতীয় সংসদের কাছে দায়বদ্ধ থাকবে। ব্যাংকের গভর্নর ও ডেপুটি গভর্নর নিয়োগ ও অপসারণে সংসদের অনুমতি প্রয়োজন হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক অধ্যাদেশ-২০২৫ নামে একটি অধ্যাদেশ প্রণয়ন হচ্ছে। গভর্নর ও ডেপুটি গভর্নর নিয়োগ হবেন ছয় বছরের জন্য। গভর্নর নিয়োগে সংসদীয় অনুমোদন প্রয়ােজন হবে। গভর্নর পাবেন মন্ত্রীর পদমর্যাদা । সদস্য সংখ্যায় ৮ জনের পরিচালনা বোর্ডে আমলা তািন্ত্রক জিটলতা নিরসেনর লক্ষে বাের্ডে কোনো আমলা থাকবেন না।
গভর্নর হবেন বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী। তিনি ব্যাংকের মুদ্রানীতি, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, ব্যাংক তদারকি ও বৈদেশিক মুদ্রা বাজার স্থিতিশীল রাখার বিষয়ে স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন।
পরিচালনা বোর্ডের সদস্যদের অবশ্যই ব্যাংকিং, অর্থনীতি, হিসাবরক্ষণ, আইন, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা বা শিল্প খাতে ১৫ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। বোর্ডে কোনো সরকারি কর্মকর্তা থাকবেন না।
অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে বাংলাদেশ ব্যাংককে দেওয়া হচ্ছে “বাধ্যতামূলক ব্যাংক রেজল্যুশনের” ক্ষমতা। যার ফলে ঝুঁকিপূর্ণ ব্যাংকের বিরুদ্ধে সময়মতো ব্যবস্থা নিতে পারবে ব্যাংক। সমন্বয় পরিষদ নামে একটি সংস্থা গঠিত হবে, যার চেয়ারম্যান থাকবেন অর্থমন্ত্রী। এই পরিষদ মূল্যস্ফীতি, বেসরকারি ঋণ চাহিদা, বৈদেশিক সম্পদ ইত্যাদি বিবেচনায় রেখে আর্থিক নীতিমালা সমন্বয় করবে।