
জাতির পিতার স্বপ্নের বাস্তবায়ন করা দেশের অর্থনীতিতে ভুমিকা রাখা বীমা কোম্পানির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা নিয়োগ ও অপসারণ প্রবিধানমালা’র বড় পরিবর্তন উন্নয়নমুখি বীমাখাতের উপর সুদুর প্রসারী প্রভাব ফেলবে বলে খাত সংশ্লিষ্ট অনেকে জানতে চান কার স্বার্থে এবং কিসের স্বার্থে এই পরিবর্তন
খোন্দকার জিল্লুর রহমান :
জাতির পিতার স্বপ্নের বাস্তবায়ন করা দেশের উন্নয়নে বীমা কোম্পানির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা(সিইও) নিয়োগ ও অপসারণ প্রবিধানমালায় বড় পরিবর্তন কার স্বার্থে এবং কিসের স্বার্থে। যেখানে ছাড় দেয়া হচ্ছে কর্ম অভিজ্ঞতায়, একইসাথে প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে দেশের ধিকৃত এবং তথাকথিত নামধারী বুদ্ধিজীবিদের প্রবর্তিত টিকমার্কের পাশধারি শিক্ষাগত যোগ্যতার ফলাফলে। সেইসাথে বন্ধ করা হচ্ছে ইনক্রিমেন্ট-ইনসেনটিভের নামে অতিরিক্ত সুযোগ-সুবিধা প্রদানের পথ। এ ছাড়াও আরো বেশ কিছু নতুন সংশোধনী আসছে এই প্রবিধানমালায়।
পরিবর্তকৃত প্রবিধানমালার সংশোধিত খসড়া প্রজ্ঞাপনের বিষয়ে মতামত জানতে চেয়ে বীমা মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স এসোসিয়েশন (বিআইএ) এবং মুখ্য নির্বাহীদের সংগঠন বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স ফোরাম (বিআইএফ)’র কাছে চিঠি পাঠিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ)।
বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের পরিচালক (আইন) মো. আব্দুল মজিদ স্বাক্ষরিত ২২ জানুয়ারি রোববার ইস্যুকৃত নিয়ন্ত্রক সংস্থার চিঠিতে বলা হয়েছে, গেজেট আকারে প্রকাশিত ‘বীমা কোম্পানি মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা নিয়োগ ও অপসারণ প্রবিধানমালা, ২০১২’ এর সংশোধনী খসড়া প্রজ্ঞাপনের বিষয়ে বিআইএ এবং বিআইএফ’র মতামত প্রাপ্তির পর এটি পুনরায় যাচাই-বাছাই করে সংশোধন করা হবে। সংশোধিত খসড়া প্রজ্ঞাপনের বিষয়ে বিআইএ এবং বিআইএফ’র মতামত কর্তৃপক্ষ ২৫ জানুয়ারি ২০২৩ তারিখের মধ্যে প্রেরণের অনুরোধ জানানো হয়েছে ।
প্রবিধানমালার খসড়া প্রজ্ঞাপন অনুসারে, মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা নিয়োগের শিক্ষাগত যোগ্যতা হবে- কোন স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কমপক্ষে ২য় শ্রেণীর স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রী অথবা চার বছর মেয়াদী স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রীর অধিকারী। গ্রেডিং পদ্ধতির ফলাফলের ক্ষেত্রে সরকারি নীতিমালা প্রযোজ্য হবে। তবে বিদেশী বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রীধারীদের বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন হতে সমতাকরণ সার্টিফিকেট দাখিল করতে হবে।
এর আগে মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা নিয়োগের ক্ষেত্রে ৩য় শ্রেণীর স্নাতক ডিগ্রীও গ্রহনযোগ্য ছিল। অর্থাৎ স্নাতকের ফলাফলের বিষয়ে কোন সীমা নির্ধারণ ছিল না। এমনকি বিদেশী বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রীর গ্রহণযোগ্যতার বিষয়েও কোন বক্তব্য ছিল না, অতিত পর্যালোচনা করে দেখা গেছে দেশের স্বাধীনতা পরবর্তি সময়ে অনেক বীমা কোম্পানির সিইও মেট্রিক এবং আইয়ে ৩য় বিভাগে পাশ ছিলেন, তখনতো তাদের শিক্ষাগত যোগ্যতা ও ব্যবস্থাপনার বিষয় নিয়ে কোন প্রশ্ন উঠেনি, এখানে বিশেষ ভাবে উল্লেখ থাকা প্রয়োজন যে, খসড়া প্রোবিধানমালায় উল্লেখিত শিক্ষাগত যোগ্যতা শুধুমাত্র নতুন সিইও নিয়োগপ্রাপ্তদের ক্ষেত্রে প্রযোয্য হবে, বর্তমান যারা ৬৭ বছর বয়সের সীমাবদ্ধতায় বহাল আছেন তাদের বেলায় প্রযোয্য না হয়, এবং তারা যাতে সহযোদ্ধাদের সাথে হেয় প্রতিপন্ন হতে না হয়।
কিন্তু বর্তমানে লাইফ, নন-লাইফসহ বেশকিছু কোম্পানির চেয়ারম্যান ও পরিচালকদের বেপরোয়া দুর্নীতি ও বিদেশে অর্থ পাচারের কারনে (যা প্রমান নজরুল, খালেক, খালেক পুত্র এবং হেমায়েত গংরা) দেশের সম্ভাবনাময়ী বীমাখাত খাদের কিনারায় এসে দাড়িয়েছে, সরকার হারিয়েছে হাজার হাজার কোটি টাকা রাজস্ব।
খসড়া প্রজ্ঞাপনে মুখ্য নির্বাহীর কর্ম অভিজ্ঞতার বিষয়ে বলা হয়েছে- ইতোপূর্বে কোন বীমা কোম্পানিতে মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে বা এর অব্যবহিত নিম্নপদে অন্যুন ২ বছর কর্ম অভিজ্ঞতাসহ বীমা ব্যবসায় অন্যুন ১২ বছরের কাজের অভিজ্ঞতা; তবে, কর্তৃপক্ষ উপযুক্ত মনে করলে উল্লেখিত শর্তের ব্যত্যয় ঘটিয়ে মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা পদে নিয়োগ অনুমোদন করতে পারবে।
এক্ষেত্রে সরকার বা সরকারের অধীনস্থ অন্য কোন খাতে সর্বশেষ কমপক্ষে যুগ্মসচিব পদমর্যাদার পদে কর্মরত ছিলেন, এমন ব্যক্তির মধ্যে যার ব্যাংক বা বীমা অথবা আর্থিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ে কমপক্ষে ৫ বছরের (তন্মধ্যে বীমা বিষয়ক কাজে কমপক্ষে ১ বছরের কর্ম অভিজ্ঞতা) কর্ম অভিজ্ঞতাসহ সরকারি কাজে অন্যুন ১৫ বছরের কর্ম অভিজ্ঞতা রয়েছে তার নিয়োগ অনুমোদন করতে পারবে। এখানে একটা বিষয় মুখ্যহয়ে দাড়ায়, যেখানে একটা বীমা কোম্পানির কর্মকর্তা গ্রাসরুট লেভেল থেকে কাজ করে তিলে তিলে নিজেকে এখাতে অভিজ্ঞ করে তুলে এনে এ পদের জন্য যোগ্য করে তোলেন। সেখানে নিয়মের ব্যতিক্রম করে বীমাখাতের অভিজ্ঞতাবিহীন এবং জনসংযোগ বিচ্ছিন্ন কেহ সরকারী চাকুরি হতে অবসর গ্রহন করে এতদ সমপদে কার্যক্রম পরিচালনায় কতটুকু যোগ্য হবেন, যেখানে এখনো যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা সম্পন্ন সিইও বেকার থাকা সত্বেও পেনশনপ্রাপ্ত সরকারী কর্মকর্তাদের নিয়োগ কেন প্রশ্নবিদ্ধ হবেন ? তার উপর একজন সরকারী কর্মকর্তা কাজের অযোগ্য হয়েযান বলেই তাকে ৬০ বৎসরে পেনশনসহ অবসর গ্রহন করার নিয়ম রাষ্ট্রীয় ভাবে স্বিকৃত, অপরদিকে বীমাখাতে ব্যাপক অভিজ্ঞতার কারনে একজন মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা অবসর কালিন কোনরকম সুবিধা ব্যতিত ৬৭ বৎসর পর্যন্ত গ্রহনযোগ্য থাকেন।
এক্ষেত্রে লোভনীয় বেতনভাতা ও সুযোগ সুবিধার প্রতি লোলুপ দৃষ্টির ফলে আজীবন পেনশনভুক্ত কিছু সরকারী কর্মকর্তা তাদের পেনশন বিহীন ভাবে ৬৭ বৎসরে অবসরে যাওয়া বীমা কোম্পনীর অভিজ্ঞ সিইওদের স্থলাবিসিক্ত হয়ে দেশের সম্ভাবনাময়ী বীমাখাতকে ধ্বংসের পায়তারাসহ এহেনো প্রোবিধানমালা তৈরির উপর জোর প্রভাব চালিয়ে যাচ্ছেন।
এখানে বিশেষ ভাবে উল্লেখ না করলেই নয় যে, সুর্নিদৃষ্ট ২/৩টা কোম্পানীর চেয়ারম্যান ও পরিচালকগন এবং বিআইএ, বিআইএফ এসোসিয়েসনের পদধারি ব্যক্তি বিশেষ ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে নিজেদের অযোগ্য সন্তানদের অর্থ্যাৎ কোন একজনের পুত্র এবং কোন এক জনের কন্যাকে উল্লেখিত পদে আসিন করিয়ে সিইও পদে অপ্রাপ্ত বয়স এবং ২০১২ সালের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্ত নিয়োগের প্রোবিধানমালাকে নিজেদের মত করে সাজিয়ে স্বীয়স্বার্থ কাজে লাগিয়ে নিয়োগ ও অপসারন প্রোবিধানমালার পরিবর্তনের মাধ্যমে একটা দেশের তথা জাতির পিতার স্বপ্নের বীমাখাতকে ধ্বংসের সুদুর প্রসারি পরিকল্পনা সাজিয়ে নিজেদের স্বর্গরাজ্য প্রতিষ্ঠার অপ-প্রয়াস ছাড়া কিছুই নয়। এ ছাড়াও আন্তর্জাতিকভাবে সুপরিচিত বহুজাতিক বীমা কোম্পানিতে উর্ধতন ব্যবস্থাপনা পদে ৮ বছরের বীমা বিষয়ক সরাসরি অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ব্যক্তিকেও দেশের বীমা কোম্পানির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা পদে নিয়োগ অনুমোদনের ক্ষমতা রাখা হয়েছে বীমা খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইডিআরএ’র।
ইতিপুর্বে মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা নিয়োগের ক্ষেত্রে অব্যবহিত নিম্নপদে কমপক্ষে ৩ বছর সহ বীমা ব্যবসায় ১৫ বছরের কর্ম অভিজ্ঞতার প্রয়োজন হতো। অর্থাৎ খসড়া প্রজ্ঞাপনে অব্যবহিত নিম্নপদে ১ বছর ও বীমা ব্যবসায় ৩ বছরের কর্ম অভিজ্ঞতা ছাড় দেয়া হয়েছে।
মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ লাভের জন্য প্রার্থীর অযোগ্যতার ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন বয়স ৪০ বছরের বিধান বাদ দেয়া হয়েছে এবং মেয়াদ শেষ হলে ৬৭ বছর পূর্ণ না হওয়া পযন্ত পুনর্নিয়োগের বিধান রাখা হয়েছে। এখানে সিইও অনুমোদনের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন বয়স ৪০ বছরের বিধান বাদ দিয়ে ৩০বছর করার যে ব্যপারটি বীমাখাত সংশ্লিষ্ট বোদ্ধারা বিশেষভাবে উল্লেখ করেছেন তা হলো, শিক্ষাগত যোগ্যতায় যোগ্য হলেও ৩০ বছরের একজন অপরিপক্ক সিইও কোন অবস্থাতেই সমকক্ষ সিইওদের সাথে একদিকে যেমন কুলিয়ে আসতে পারবেনা অপরদিকে বীমা কোম্পানীর চেয়ারম্যান ও পরিচালকরা এসব অপরিপক্ক সিইওদের উপর প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্ন কমিশন এবং অনৈতিকতার মাধ্যমে বীমাখাতকে ধ্বংসের দারপ্রান্তে দাড় করাবে এবং যার ফলে দেশের বিপুল সম্ভাবনাময়ী বীমাখাত আরো ১০০বছর পিছিয়ে যাবে বলে মত প্রকাশ করেন। তারা আরো বলেন, নিয়ন্ত্রক সংস্থা অর্থ্যাৎ বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ) সিইও নিয়োগও অপসারনে কোন অপশক্তির নিকট পরাজয় স্বীকার করে বয়স এবং অবিজ্ঞতায় ছাড় দিয়ে সিইও নিয়োগও অপসারন প্রোবিধানমালা পরিবর্তন করা হয়,তাহলে বীমাখাতের এই নিয়ন্ত্রক সংস্থা (আইডিআরএ) এসব অপশক্তির হাতের ক্রিড়ানক হয়ে বীমখাতের জন্য ঠুটো জগন্নাতে পরিনত হবে, এবং সম্ভাবনাময়ী বীমাখাত হবে প্রভাবশালী ও দুর্নীতিবাজদের অভয়ারণ্য।
বাংলাদেশে বসবাসরত বিদেশী বীমা কোম্পানির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা নিয়োগের ক্ষেত্রে ‘বাংলাদেশের নাগরিক বা বাংলাদেশের ডমিসাইল’ হওয়ার বাধ্যবাধকতাও তুলে নেয়া হয়েছে, যা দেশের বীমাখাতের জন্য অশনী সঙ্কেত বলে সংশ্লিষ্ট অনেকে মতামত প্রকাশ করেন।
মুখ্য নির্বাহীর মোট বেতনের বিষয়ে বলা হয়েছে- মোট বেতন, মূল বেতন, বাড়ী ভাড়া এবং অন্যান্য ভাতাদি (চিকিৎসা, উৎসব ভাতা, ইন্স্যুরেন্স ইত্যাদির পরিমাণ বা সীমা নির্দিষ্ট অংকে উল্লেখ থাকতে হবে) সমন্বয়ে গঠিত হবে। এক্ষেত্রে অন্যান্য সুবিধাসমূহ আর্থিক মানদন্ডে নির্ধারণের বিষয়টি বিয়োজন করা হয়েছে।
অন্যদিকে মুখ্য নির্বাহীর নির্ধারিত বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুবিধাসমূহ ব্যতীত অন্য কোন প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সুবিধা, যেমন- লভ্যাংশ, কমিশন, যেকোন ধরনের ক্লাব সদস্য সংক্রান্ত খরচ প্রদানে নিষেধাজ্ঞার পাশাপাশি ‘ইনক্রিমেন্ট’ ও ‘ইনসেনটিভ’ সুবিধা প্রদানেও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।
তাছাড়া মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা নিয়োগ ও অপসারণ প্রবিধানমালা-২০১২ তে ছোট-বড় আরো কিছু পরিবর্তন আনা হচ্ছে । বীমা কোম্পানির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা নিয়োগ ও অপসারণ প্রবিধানমালায় যেসব সংশোধনী আনা হচ্ছে একইসঙ্গে মুখ্য নির্বাহীদের চাকরির নিশ্চয়তা বা নিরাপত্তার বিধান রাখাও তাদের সুযোগ-সুবিধার বিষয়েও গুরুত্ব দেয়া উচিত এবং প্রয়োজন।
বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ)’র চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জয়নুল বারী’র সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি “অর্থনীতির ৩০ দিন” কে বলেন, মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা নিয়োগ ও অপসারণ প্রবিধানমালাটি আমরা সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছি এবং বর্তমানে এটি নিয়ে কাজ চলছে, সংশোধনীর খসড়া চূড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে তেমন কিছু বলার সুযোগ নেই । সংশ্লিষ্টদের মতামত নেয়ার জন্য পাঠানো হয়েছে, মতামত আসার পর পরবর্তি বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে এই প্রধান কর্মকর্তা জানান।
বীমা কোম্পানির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা নিয়োগ ও অপসারণ প্রবিধানমালার পরিবর্তন কারো ব্যক্তিস্বার্থে করা হচ্ছে কিনা জানতে চাইলে আইডিআরএ’র চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জয়নুল বারী স্বীকার করে বলেন, কোন কোন ক্ষেত্রে আমরা চেয়ারম্যান ও পরিচালকদের চাপের কারনে নিয়মের বাইরেও অনুমোদন দিয়ে থাকি,এর মধ্যে সেনাকল্যান ইন্স্যুরেন্সের এবং আস্থা লাইফ ইন্স্যুরেন্সের এমডি, সেনাকল্যান ইন্স্যুরেন্স এবং আস্থা লাইফ ইন্স্যুরেন্সের এমডি‘র যোগ্যতা অিভজ্ঞতা এবং কোম্পানীর সচ্ছতার বিষয় নিয়ে কোন প্রশ্ন না থাকলেও অন্যান্য লাইফ ও নন-লাইফ বীমা কোম্পানির দুনীতি ও অনিয়মের কথা জানতে চাইলে আইডিআরএ’র চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জয়নুল বারী বলেন, ক্ষেত্রবিশেষ উল্লেখ রেখে কোম্পানিগুলির র্দুনীতি ও অনিয়ম রোধে আমরা সেন্ট্রাল অটোমেসন সিষ্টেম চালু করতে কাজ চলছে, আগামি এক থেকে দেড় বছরের ভিতর কমপ্লিট হয়ে যাবে, এবং সকল বীমা কোম্পানিগুলিকে এর আওতায় নিয়ে আসবো সেইসাথে প্রতি ত্রৈমাসিক হিসাব দেখার মাধ্যমে বা কারো কোন অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
ধারাবাহিক চলবে…











