
মো. জালালুল আজিম, মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা, প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্স
অর্থনীতির ৩০ দিন ডেস্ক :
বাংলাদেশের আর্থিক খাতকে সুরক্ষিত রাখতে অবৈধ অর্থ প্রবাহ রোধ একটি বড় চ্যালেঞ্জ। বীমা খাত, বিশেষ করে জীবন বীমার ক্ষেত্রেও এ বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে। তবে বাস্তবতায় দেখা যায়, জীবন বীমা খাতে মানি লন্ডারিংয়ের ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে অনেক কম।
এর অন্যতম কারণ হলো, জীবন বীমা কোম্পানিগুলো শুরু থেকেই কঠোরভাবে কেওয়াইসি (Know Your Customer) প্রক্রিয়া অনুসরণ করে। একটি পলিসি ইস্যুর আগে গ্রাহকের বয়স, আয়, পেশা এবং শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য নেওয়া হয়। ফলে কম আয়ের কেউ হঠাৎ বড় অংকের পলিসি করতে চাইলে সেটি অনুমোদন পায় না। এ ব্যবস্থাই অনেকাংশে মানি লন্ডারিংয়ের সুযোগকে সীমিত করে দেয়।
তবে শুধু এখানেই থেমে থাকা যাবে না। অ্যান্টি মানি লন্ডারিং আইন এবং আন্তর্জাতিক নীতিমালার কারণে এখন কোম্পানিগুলো আরও বেশি সতর্ক হয়েছে। কেওয়াইসি প্রক্রিয়া অতীতের তুলনায় শক্তিশালী হয়েছে এবং প্রতিষ্ঠানগুলো এ বিষয়ে বাড়তি গুরুত্ব দিচ্ছে।
আমি বিশ্বাস করি, বীমা খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হলে সামগ্রিক আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতাও বৃদ্ধি পাবে। অবৈধ অর্থ প্রবাহ রোধে বীমা খাতের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে নিয়ম-কানুন যথাযথভাবে মেনে চলতে হবে। সামগ্রিক পদক্ষেপ ছাড়া এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা সম্ভব নয়।










