
গিয়াস উদ্দীন তালুকদার :
ইন্সটিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট কনসালটেন্ট বাংলাদেশ (আই এম সি বি) এর ১৮তম বার্ষিক সাধারণ সভা গুলশানের হোটেল ডি ক্রিস্টাল ক্রাউন এ গত ২৮ ডিসেম্বর, অনুষ্ঠিত হয়েছে। অত্র সংগঠনের চেয়ারম্যান মোঃ জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে এবং উপদেষ্টা প্রফেঃ ডঃ রহিম বি তালুকদার, প্রফেঃ ডঃ মোঃ সামসুল হক, মোঃ ওয়াজির আলম (সাবেক সভাপতি), মোঃ সৈয়দ আহমেদ আলী (১ম সভাপতি) এবং কোষাধ্যক্ষ মোঃ তোফাজ্জল হোসেনসহ কার্যকরী পরিষদের সম্মানিত সদস্য ও সাধারণ সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।
চেয়ারম্যান সকলের সদয় উপস্থিতির জন্য আন্তরিক মোবারক বাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে প্রথমে সভার আলোচ্য সূচী ও গত বছরের কার্যক্রমের বিবরনী ও নিরীক্ষা রিপোর্ট সহ যাবতীয় কার্যক্রমের বিশদ বিবরণী প্রদান করেন।
তিনি পেশাগত দক্ষতা ও মান উন্নয়নের বিষয়ে গুরুত্ব আরোপ করেন। এ বিষয়ে তিনি কনসালটেন্টদের স্বার্থ সংরক্ষণসহ গ্রাহকদের সেবা প্রদানের লক্ষ্যে তাদেরকে আইনের আয়তায় আনার জন্য ম্যানেজমেন্ট কনসালটেন্ট আইন ও বিধিমালা প্রবর্তনের জন্য সরকারের প্রতি সনির্বদ্ধ অনুরোধ জানান।
সেই সংগে আইএমসিবি এর ভিশন ২০২০ অর্জনের জন্য নিম্নোক্ত বিষয়গুলোর উপর গুরুত্ব আরোপ করেন ঃ-
বাহ্যিক আর্থিক এবং অন্যান্য উৎসগুলির সুসংহত করা।
বাংলাদেশের ম্যানেজমেন্ট কনসালটিং আইন ও বিধিমালা প্রবর্তনের চেষ্টা করা।
২০২০ সালের মধ্যে ১০০ জন পেশাগত দক্ষ কনসালটেন্টকে সিএমসি সনদ প্রদান করা।
পোষ্ট গ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা ম্যানেজমেন্ট কনসালটিং কোর্স এর সংযোজন করা।
স্বল্পমেয়াদী উচ্চতর কনসালটিং প্রশিক্ষণ চালু করা।
বিদেশে আইএমসিবি এর অনুরূপ সংস্থার সাথে সহায়তা ও দ্বিপাক্ষিক সমযোতা বৃদ্ধি।
বিদেশি সমজাতীয় সংস্থায় আইএমসিবি এর কনসালটিং প্রতিনিধিদলের অংসগ্রহন।
একই ধরনের প্রতিষ্ঠানের সাথে যুগলবদ্ধভাবে জাতীয় কনসালটেন্ট কংগ্রেসের আয়োজন করা।
কর্পোরেট ম্যানেজমেন্ট পুরস্কার এবং ১০০ ভাগ্যবান কোম্পানির নাম প্রকাশ করা।
কনসালটিং সেবার জন্য মেলার ব্যবস্থা করা।
আই সি এম সি আই এর সাথে যুগপদভাবে এশিয় আঞ্চলিক সংগঠন গড়ে তোলা।
আই এম সি বি এর জন্য ভূমি এবং নিজস্ব ভবনের ব্যবস্থা করা।
বিগত ১ বছরের (২০১৮) আইএমসিবি কর্তৃক সম্পাদিত কার্যক্রমের বিবরণ পেশ করেন। যাহা নিম্নরুপঃ
আন্তর্জাতিক কনসালটিং দিবস উৎযাপন।
একাধিকবার জাতীয় কর্মশালা ও গোল টেবিল আয়োজন।
আইএমসিবি এর প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকারী আর্থিক পৃষ্ঠপোষকতা অর্জনের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কয়েক দফা বৈঠক।
বিদেশী কনসালটেন্টদের উপর নির্ভরশীলতা কমানোর লক্ষ্যে দেশীয় কনসালটেন্টদের পেশাগত দক্ষতা ও মানবৃদ্ধির উপর গুরুত্ব আরোপ করে ভবিষ্যতে ম্যানেজমেন্ট কনসালটেন্টদের যুগ উপযুগী করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে বিভিন্ন প্রশিক্ষনের ব্যবস্থা করা। এর ফলে আগামীতে বাংলাদেশী কনসালটেন্টগন সরকারী এবং বেসরকারি খাতে প্রায় ৫০০ কোটি টাকা কনসালটেন্সি ফি সাশ্রয় করতে সক্ষম হবে।
সকলের সমন্বিত প্রচেষ্টায় এই পেশা বাংলাদেশের একটি দক্ষ ও সেবামূলক পেশা হিসাবে স্থান লাভ করুক এই আহ্বান জানিয়ে সভার সমাপ্তি ঘোষণা করেন।











