

খোন্দকার জিল্লুর রহমান :
ধুলো বালির কোর্মা পোলাও আর সে কাদার পিঠে,
মিছেমিছি খেয়ে সবাই বলে ভেজায় মিঠে….
৩০ ডিসেম্বর ২০১৮’র ১১তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে সকল দলের অংশ গ্রহন, এবং আওয়ামি ছাপোষা কয়েকটা দলের অংশ গ্রহনে ২০২৪এর ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয়ে গেল, সারা দেশের সকল ভোট কেন্দ্রগুলিতেও কোন সহিংশতা ছাড়া সারা দেশের ভোটকেন্দ্রগুলি থেকে একটু দুরে আসার পথে বিচ্ছিন্ন ঘটনায় ২২/২৩ জনের মৃত্যু ছাড়া বা কোন ঝামেলাবিহীন ভাবে নিরঙ্কুুশ সংখ্যা গরিষ্টতার মাধ্যমে ৪/৫% ভোটারের অংশ গ্রহনের মধ্যদিয়ে (কোন কোন কেন্দ্র ভোটশুন্য, আবার কোথাও কোথাও ভোটকেন্দ্রে কুকুর বিড়াল শুয়ে থাকার ছবিও মিডিয়াতে আসে) একটা সফল নির্বাচন করে নিল সরকার যা ১৯৭০ এর নির্বাচনকেও হার মানিয়েছে, আসলে সরকার চাইলে কি না পারে। দেশের জাতীয় পরিচয় পত্রধারি ভোটাধিকার প্রাপ্ত প্রায় সাড়ে ১০/১১ কোটি জনগনের বেশির ভাগেরই ভোটাধীকার প্রয়োগের নির্শ্চয়তা প্রদানকারি কিছু অনৈতিক লোকের মাধ্যমে ইভিএম এলাকায় ৪৮/৫০% সাধারন এলাকায় ৮০/৮৪% এবং দুএকটা অসনে ১০২/১০৪% পর্যন্তও ভোটাধিকার প্রয়োগের দৃশ্য প্র্যত্যক্ষ ভাবে, ইলেক্ট্রনিক মাধ্যম ও বিভিন্ন পত্র পত্রিকার মাধ্যমে দেশের জনগন উপভোগ করে। ভোটাধীকার প্রয়োগ প্রত্যেক দেশের প্রাপ্ত বয়স্ক সকল নাগরিকের নৈতিক অধীকার, কারো নাগরিক অধীকার হরন করা দন্ডনীয় অপরাধ। যদিও নাগরিক অধীকার হরন করা দন্ডনীয় অপরাধ, তা সত্তেও দেশের আপামর জনসাধারনকে বোকা বানিয়ে কিছু কিছু অনৈতিক লোকের দ্বারা সাধারন নাগরিকের ভোটাধীকার প্রয়োগের মাধ্যমে সংগৃহিত০ প্রত্যেকটি আসনের প্রতিদ্বন্দি প্রার্থির চেয়ে দু একটা ব্যতিত জয়লাবকৃত সকল আসনে ৯৮ থেকে ৯৯% ভোটে জয়লাভ কারো কারো নিকট আনন্দের হলেও সুশীল সমাজের অনেকের বিবেক কঠিনভাবে নাড়া দিয়েছিল। আবার কেউ কেউ এ নির্বাচনকে এক দলীয় নির্বাচন হিসাবেও আখ্যায়িত করেছেন বলেও শোনা যায়। তাদের মতে ৩০০ আসনে মধ্যে ২৮৮ আসনে নিরঙ্কুশ জয়লাভ করে বিশ্বের বেশির ভাগ দেশের অভিনন্দনে অভিনন্দিত হয়ে আত্মতৃপ্তির ডেকুর তুললেও নিজ দেশের ভোটাধিকার প্রাপ্ত জনগনের ভোটাধিকার প্রয়োগ ব্যতিত প্রশাসনিক প্রহসনের মাধ্যমে নিরঙ্কুশ জয়লাভ করে অভিনন্দন অর্জন করতে পেরেছে কিনা এটা তখন নিজের বিবেকের কাছে জয়জয়কারের কারনে প্রশ্ন করার একবারও চিন্তা-ভাবনা আসেনাই।
একাদশ নির্বচনের পরপর এ লেখাটা প্রকাশ করতে না পারলেও দ্বাদশ নির্বচনেরও বেশ কিছুদিন পর এ লেখাটা একটু মডিফাই করার মাধ্যমে প্রকাশ করে নিজেকে কিছুটা হলেও দ্বায়মুক্ত মনে হল।

অনেক কিছুর পরও বাস্তবতা স¤পূর্ণ ভিন্ন, নিজের কথাটা না বললেই নয়, নির্বাচনের দিন থেকে এই লেখাটা লেখা পর্যন্ত নিজের কাছে নিজেকে অপরাধী এবং চোর চোর বলে বিবেকটাকে অব্যাহতি দিতে পারিনাই। সত্যটা তুলে ধরা যদি অন্যায় হয় তাইলে নাহয় একটু অন্যায়ই করলাম। আমি (খোন্দকার জিল্লুর রহমান) নিজেই ১১তম জাতিয় সংসদ নির্বাচনে সংসদীয় আসন নং ২৫৬ কমিল্লা ০৮ বরুড়া উপজেলার একজন সংসদ সদস্যের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ছিলাম, আমার এলাকার ভোট কেন্দ্র আমাদের গ্রামের উত্তর পর্শে¦র গ্রাম, নির্বাচনের দিন সকাল সাতটার দিকে বাড়ি থেকে বের হয়ে ভোট কেন্দ্রে যেতে রওনা দিয়ে দেখি দুই গ্রামের সংযোগ মোড়ে ১৪/১৫ বছরের উঠতি বয়সি ৭/৮ জন ছেলেদের প্রত্যেকের গলায় নৌকা এবং নৌকার প্রার্থীর ছবি ও লেখা সমৃদ্ধ লেমিনেটিং করা কার্ড জুলানো এবং হাতে দুই থেকে আড়াই ফিট লম্বা লম্বা কিরিছ, চাপাতি ও রামদাসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তান্ডবিয় ভাবে মহড়া দিচ্ছে, নিজেকে ভিত ও অসহায় মনে করেও তাদের বিভিন্ন রকম ছোট ছোট কমেন্ড উপেক্ষা করে অগ্রসর হই। এখানেই শেষ নয়, তাদের বিস্ব্রি বিস্ব্র কথাগুলি শুনে একজন সংসদ সদস্য প্রার্থী হিসাবে হোক আর দায়ীত্তশীল শুধি সমাজের একজন ব্যক্তি হিসাবে নিজেকে ও নিজেদেরকে খুবই অপদস্ত মানুষ ও জাতি বলে মনে হল। তিরস্কৃত মনে আস্তে আস্তে ভোট কেন্দ্রে উপস্থিত হই। ভোট কেন্দ্রের অবস্থা একটু ভিন্ন রকম কোন নিয়মতান্ত্রিকতা বিহীন ভাবে কিছু কিছু আওয়ামি লীগ পরিচয়ধারি লোকের স্বরব অবস্থান কেন্দ্রের পরিবেশ কে নিজস্ব ঊৎপাদিত কারখানার নিরাপত্তার মতই মনে হল, একজন চেনা লোক হিসাবে কেন্দ্রে ডুকতে বাধা না দিলেও বুতের ভিতরের অবস্থা দেখতে ভুল হয় নাই। একজন ভোটার তার ব্যালট পেপারটা হাতে নিতেই পাশের একজন ব্যালট পেপারটা ছিনিয়ে নিয়ে বলে নৌকায় ভোট দেবেনতো ঠিক আছে গোপন জায়গায় যাওয়ার দরকার নাই এখানে টেবিলেই সিল দেন বলে নিজেই নৌকায় সিল দিয়ে সামনে রাখা ব্যালট বক্সে পুরে দেন। কিছুক্ষন অপেক্ষা করে এরকম বেস কয়েকটা ভোট দেয়ার দৃশ্য উপভোগ করে আরো দু চারটা কেন্দ্রে অনিচ্ছা সত্তেও যাই । সব যায়গায় মাঝ পথে ও কেন্দ্রে একই অবস্থা দেখে নিজেকে নিজেই ধীক্কার দিতে দিতে বাড়ীর দিকে ফিরে আসি, আসতে আসতে নিজের মনে ভেসে উঠল কবি দাউদ হায়দারের সেই জন্মই আমার আজন্ম পাপ কবিতার কথা, যে কবিতা লিখে কবি আজ প্রায় দীর্ঘ ৪০ বছর প্রবাসে থেকেই মরতে হয়েছে, মাতৃভুমিতে ফেরার কোন সুযোগ বা উপায় জীবদ্দশায় খুঁজে পান নাই।
দৃশ্যের এখানেই শেষ নয়, পরবর্তী দৃশ্যটা আরো একটু ভয়াবহ গ্রামের ভিতর দিয়ে, এসে বাড়ির মোড় দিয়ে যাত্রা পথে দেখি সকালের সেই সশস্ত্রদের মহড়া সব কিছু ওভার লুক করে স্থানটা অতিক্রম করতে চেষ্টা করি কিন্তু বাদ সাধে পকেটের মোবাইলটা, একটা মেসেজ রিং বাজাতে পকেট থেকে মোবাইল টা বের করে দেখতেই মুখে টাওয়াল পেচানো অস্ত্রহাতে তাদের একজন তেড়ে এসে জোর করে আমার হাত থেকে মোবাইল ফোনটা কেড়ে নেয় আর বলে ছবি উঠাইলি কেন, দেখসনা আমাদের হাতে এগুলি কি? তুই প্রার্থী এবং সাংবাদিক। ছবি তুলিনাই বললেও আমার ভাল কথায় কোন কাজে না লাগিয়ে ও না শুনে নিজেদের মত করে তুচ্ছ তাচ্ছিল্যের মন্তব্য করতে করতে এগোতে থাকে আমি অপ্রস্তুত অবস্থায় নির্বিকার কিছুক্ষন দাঁড়িয়ে থাকি। অনেক্ষন ঘাটাঘাটি করেও তাদের কোন ছবি না পেয়ে আমার পারিবারিক কিছু ছবিসহ সব ডিলিট করে একটা ছোট বাচ্চা দিয়ে মোবাইলটা আমার কাছে পাঠিয়ে দেয়। জন্ম নিয়ে এই গ্রামের আলো বাতাসে বড় হয়ে একটা স্বাধীন দেশের একজন স্বচেতন ও দায়িত্তশীল নাগরিক হিসাবে অধিকার বঞ্চিত হওয়ার ক্ষোভটা লেখার মাধ্যমে বেরিয়ে এসেছে। মনে মনে ভয়ও হয় এই ক্ষোভটা প্রকাশের জন্য আবার খেশারত দিতে হয় কিনা? নেক্কারজনক পটভুমি পরিবর্তনের দীর্ঘ সময়পর মনের ভিতর জমে থাকা সত্যগুলি প্রকাশ করার ইচ্ছে হল, তাই করলাম। সংবিধানিকভাবে আমরা জানি “গনহিস্যা জনতা দ্বারা প্রহার, স্বাভাবিক কাজকর্মে বাধা দেওয়া, কারো নাগরিক অধিকার হরন করা এবং আইনি বিচার ছাড়া আইন শৃক্ষলা রক্ষাকারী বাহিনি দ্বারা সাধারন নাগরিককে হয়রানি করা যদিও দন্ডনীয় অপরাধ।

বৃটিশ ঔপনিবেসিক গুষ্টির হাতে নির্যাতিত এই ভুখন্ডের জন গুষ্ঠি যখন নিজেদের অধিকার আদায়ের জন্য নবাব স্যার সলিমুল্লাহর নেতৃত্তে মুসলিম লীগ গঠনের মাধ্যমে দীর্ঘ ৪১ বছর সংগ্রাম করে ১৯৪৭ সালের ১৪ই আগষ্ট মুসলমানদের জন্য একটা স্বাধীন আবাস ভুমি তৈরি করে যা পুর্ব পাকিস্থান নামকরন করা হয়। (ইতিহাসের লম্বা অংশটা বাদ দিয়ে পরবর্তি প্রেক্ষাপটটাই তুলে ধরা হল) কিন্তু ইতিহাসের নির্মমতা স¤পূর্ণ ভিন্ন, পশ্চিম পাকিস্থানিদের ক্ষমতা আঁকড়ে থাকার লোভ এবং আধিপত্ত বিস্তার থেকে এদেশের মুসলিম জনগুষ্ঠি স্বাধীনতার স্বাদ উপভোগ করতে পারে নাই। নিজের দেশেই নিজেরা পরাধীন ছিল। প্রকৃতপক্ষে এভুখন্ডের জনগন খুবই স্বচেতন। সকলের ভিতর আবার স্বাধীনতার ক্ষোভ দানা বেধে উঠে, মুসলিম লীগের একজন তরুন নেতৃত্তের পরবর্তিতে আওয়ামি লীগ হাত ধরে, যার নাম শেখ মুজিবুর রহমান (জাতীর পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান)। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে নিরঙ্কুস জয়লাভ করেও প্রশাসনিক ক্ষমতা দেওয়া হয়নাই বলে তখন শুরু হয় আরেকটি স্বাধীনতার সংগ্রাম। এই দেশের তরুনরা যার যা কিছু আছে তাই নিয়ে ঝাপিঁয়ে পড়েছিল পাকিস্থানি হানাদার বাহিনির বিরুদ্ধে এবং ৯ মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর এ দেশের মানুষ ফিরে পায় নিজেদের স্বাধীনতা, সার্ভভৌমত্ত, গনতন্ত্র, নৈতিক এবং প্রশাসনিক অধীকার। কিন্তু ক্ষমতা আঁকড়ে থাকার লোভ এদেশের মানুষকে বার বার ভোটাধীকার বঞ্চিত করে, যা গত ৫ই জানুয়ারি ২০১৪ এবং ৩০শে ডিসেম্বর ২০১৮ এবং ৭ জানুয়ারি ২০২৪ এর দশম, একাদশ এবং দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের আপামর জনগন উপভোগ করে। এই ভোটাধীকার আর এই স্বাধীনতার জন্যই কি ’৭১এ যুদ্ধ করেছিলাম? বর্তমান তরুনদের হাতে যে অস্ত্র আমরা তুলে দিয়েছি সেটা কার প্রতি কাকে, কি রক্ষার জন্য, কাকে রক্ষার জন্য, কোন স্বাধীনতা রক্ষা, কোন প্রসাশন রক্ষা বা কোন গনতন্ত্র রক্ষার জন্য আমাদের এই অবস্থান? সাবাস বাংলাদেশ।
পলাতক সরকারের একটা শ্লোগান ছিল গনতন্ত্রের মানস কন্যা প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা। শেষ পর্যন্ত গত ৫ আগষ্ট ছাত্র-জনতার রোসের মুখে পদ-পদবি ছেড়ে সারা বিশ্ববাসি এবং বিশ্ব মিডিয়ার সম্মুখদিয়ে পালিয়ে গিয়ে জীবন বাঁচাতে হল, আর নিক্ষিপ্ত হল ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে।
একটা কথা সবার জানা উচিত, যুবসমাজ একবার নষ্ট হয়ে গেলে তাদেরকে আবার সঠিক পথে ফিরিয়ে আনা খুবই কষ্টসাধ্য ব্যাপার তা যে দলেরই হোক না কেন!! এখন একটাই প্রশ্ন শিক্ষা, গনতন্ত্র ও উন্নয়নের ধারা অব্যহত রাখার কথা বলতে বলতে মুখে ফেনা তুলে ফেলা লোকেদের উপর নির্ভর করে এসব ভখে যাওয়া যুব সমাজের হাত থেকে প্রকৃত গনতন্ত্র উত্তরনে এদেশের প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিকদের ভোটাধীকার প্রয়োগের জন্য আর কতদিন অপেক্ষা করতে হবে?
এটা সত্যযে একটা দেশের উন্নয়নে গনতন্ত্র উন্নয়নের ধারা এবং জবাবদিহিতা একে অপরের সাথে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত, কোনটা ছাড়া কোনটার উন্নয়ন হয়না বা কোনটা থেকে কোনটাকে বাদ দেয়া যায় না। এসবের কোন ব্যঘাত ঘটলে বা এসবের কোন পরিবর্তন হলে অথবা অযোগ্যদের হাতে দেশের শাসন ব্যবস্থা চলে গেলে একটা দেশে অস্থিরতা বিরাজ করে, আর এই অস্থিরতা কখনো কখনো অনেক সময় রক্তপাতের দিকেও গড়ায় যা কোন স্বাধীন দেশের জনগনের কাম্য নয়। এ কথা অস্বিকার্য নয় যে, গত ১৬ বছরে বাংলাদেশ ব্যাংকের টাকা পাচার হওয়া থেকে শুরু করে, বিচারবিহীন হত্যাকান্ড যা মার্কিন নিষেধাজ্ঞার পর আপাতত বন্ধপ্রায়), ২০১৪ সালের ৫ই জানুয়ারির বিতর্কিত নির্বাচন এবং ২০১৮ সালের ৩০ডিসেম্বর এর ১১তম জাতীয় সংসদ নির্বচনের আগের রাত্রেই নৌকার প্রার্থীর পক্ষে ব্যালট বাক্স পুর্ণ করার কালিমা এবং ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি গৃহপালিত বিরোধীদলকে নিয়ে একদলীয় নির্বাচন ছাড়া পলাতক সরকারের অভুতপুর্ব নিজস্ব মেঘা উন্নয়ন, কৌশলগত জঙ্গিবাদ দমন, ৫ থেকে ১৫গুন পর্যন্ত প্রকল্প খরচ, সময়, ও অর্থপাচারের মাধ্যমেও রাস্তাঘাটের সম্প্রসারন, খালি জলাভুমিতে ব্রীজ-কালবার্ট নির্মান, যোগাযোগ ব্যবস্থার স্বকীয় পরিবর্তন, নিজ সীমানায় সমুদ্র বিজয়, আকাশ যাত্রা, বন্দর টার্মিনাল নির্মান, ৫০০ কোটির জায়গায় ৬,৫০০ কোটি টাকায় স্যাটালাইট উৎক্ষেপন করে বিশ্ব পরিচিতির মাধ্যমে দেশকে অভুতপুর্ব দেউলিয়াত্তের দোর গোড়ায় নিয়ে যাওয়ার একমাত্র দাবীদার হাসিনা।
লেখক : প্রতিবাদি কবি, সব্যসাচী লেখক, কথাসাহিত্যিক, সম্পাদক প্রকাশক, অর্থনীতির ৩০ দিন।




















