কোম্পানীর শেয়ারহোল্ডার আসমা নাজনীনের নামে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ বরাবর তাকাফুল ইসলামী ইন্স্যুরেন্স পিএলসি ও মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তার নামে কথিত ভূয়া অভিযোগ দায়ের করার প্রেক্ষিতে কোন রকম যাচাই-বাচাই ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরে তদন্তে প্রমাণিত না হবার পরও ফলাও করে পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করা সৎ সাংবাদিকতার পরিচয় বহণ করে না। মিথ্যা ও কাল্পনিক অভিযোগরে বিষয়ে ফরমায়েশি ও সিন্ডিকেটেড নিউজ প্রকাশের প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি।
তাকাফুল ইসলামী ইন্স্যুরেন্স পিএলসি বিগত ২৬ বৎসর যাবত সুনামের সাথে বীমা সেক্টরে কাজ করে যাচ্ছে। ইতোপূর্বে কোনো রকম অনিয়ম পরিলক্ষিত হয়নি। প্রতি বছরই কোম্পানী শেয়ারহোল্ডারদের নিকট স্বচ্ছ অডিটেড হিসাব প্রকাশ করে আসছে। বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ , চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ ও বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের আইন-কানুন যথাযথভাবে পরিপালন অনুসরণ করে আসছে। কোম্পানীর অডিটর কর্তৃক প্রতিবছরই অডিট হচ্ছে এবং অডিট রির্পোট যথাসময়ে প্রকাশিত হয়েছে ও হচ্ছে। বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক স্পেশাল অডিটও ২০২৩ সাল পর্যন্ত সম্পন্ন হয়েছে। প্রকাশিত নিউজে কাল্পনিক ভিত্তিহীন ও মিথ্যা অভিযোগের লেশমাত্রও স্পেশাল অডিটে প্রতিফলিত হয়নি। কোম্পানীর সাফল্যে ইর্শ্বানিত হয়ে একটি মহল সুনাম নষ্ট করার অপপ্রয়াস চালাচ্ছে।
বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ বরাবর অভিযোগকারী শেয়ারহোল্ডার আসমা নাজনীন লিখিতভাবে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ-কে জানিয়েছেন যে, তিনি কাল্পনিক অভিযোগ দাখিল করেননি ও কোন অভিযোগে স্বাক্ষর করেননি। তিনি ওনার সাথে যোগাযোগ ছাড়াই পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন,যার স্ক্যান কপি সংযুক্ত।
আমাদের শুভাকাঙ্খি, শেয়ারহোল্ডার ও গ্রাহকদের এ জাতীয় সংবাদে বিভ্রান্ত না হবার অনুরোধ জানাচ্ছি। আশা করি সংশ্লিষ্ট পক্ষগন পূর্বের মতো সহযোগিতা অব্যাহত রাখবেন।











