“মাওলানা আকরম খাঁর ৫৪তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত”


সাংবাদিক ও গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধ করা হলে ক্রমে গোটা জাতী জম্বিতে পরিণত হবে -মুসলিম লীগ
অর্তনীতির ৩০ দিন সংবাদ :
১৯৪৭ সালের ৫ ডিসেম্বর বঙ্গীয় মুসলিম লীগের সভাপতি মাওলানা আকরম খাঁ রাষ্ট্র ভাষা প্রসঙ্গে তমদ্দুন মজলিসের প্রতিনিধি অধ্যাপক আবুল কাসেম ও আবুল কালাম শামসুদ্দীনকে বলেছিলেন, ”পূর্ব পাকিস্তানের রাষ্ট্র ভাষা রূপে বাংলা ছাড়া অন্য কোন ভাষাকে ঘোষণা করলে তিনি নিজে সেই বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেবেন”। এরকম মন্তব্যের জন্য মাওলানা আকরম খাঁকে নিপীড়িত বা আজাদ পত্রিকাকে সরকারী বিধি নিষেধ বা নিষেধাজ্ঞার মুখোমুখি হতে হয়নি। তৎকালীন সময়ে গণমাধ্যম ও সাংবাদিকদের স্বাধীন ভাবে কাজ করার সুযোগ ছিল। অথচ বর্তমানে বিভিন্ন আইনের অপব্যবহারের মাধ্যমে সাংবাদিক ও গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধ করার অপচেষ্টা করা হচ্ছে। সমাজের দর্পণ গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করা হলে ক্রমে গোটা জাতি একদিন জম্বিতে পরিণত হবে। ব্রিটিশ সরকার বারবার মাওলানা আকরম খাঁর পত্রিকা বন্ধ করে দিলেও তিনি হতাশ হয়ে থেমে যাননি, আবারও নতুন করে শুরু করেছেন। তার নির্ভীকতা, আপোষহীনতা ও অদম্য ইচ্ছা শক্তি, বর্তমান সাংবাদিকদের জন্য অনুকরণীয় আদর্শ হতে পারে। মুসলিম বাংলার গণজাগরণ ও সাংবাদিকতার পথিকৃৎ, দৈনিক আজাদের প্রতিষ্ঠাতা, রাজনীতিবিদ ও ইসলামী চিন্তাবিদ, বঙ্গীয় মুসলিম লীগের তৎকালীন সভাপতি মাওলানা মোহাম্মদ আকরম খাঁর ৫৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আজ বেলা ১১.০০টায় বাংলাদেশ মুসলিম লীগ দলীয় কার্যালয়ে এক আলোচনা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে। নির্বাহী সভাপতি আব্দুল আজিজ হাওলাদারের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান আলোচক ছিলেন দলীয় মহাসচিব কাজী আবুল খায়ের। আরও বক্তব্য রাখেন নেজামে ইসলাম পার্টির চেয়ারম্যান মাও. বজলুর রহমান আমিনী, দেশপ্রেমিক নাগরিক পার্টির চেয়ারম্যান আহসানউল্ল্যাহ শামীম, দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলনের সভাপতি কে.এম রকিবুল ইসলাম রিপন, মুসলিম সমাজের সভাপতি মাসুদ হোসেন, বাংলাদেশ পিপলস পার্টির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ছিদ্দিকুর রহমান, মুসলিম লীগ স্থায়ী কমিটির সদস্য আনোয়ার হোসেন আবুড়ী, সহ-সভাপতি নজরুল ইসলাম, এড. জসীমউদ্দিন ও এড. আফতাব হোসেন মোল্লা, অতিরিক্ত মহাসচিব কাজী এ কাফী, প্রচার সম্পাদক শেখ এ সবুর, শ্রম সম্পাদক ইঞ্জি. ওসমান গনি প্রমুখ। সভা শেষে মাওলানা আকরম খাঁর রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করা হয়।