
খোন্দকার জিল্লুর রহমান:
তারিখ : ০৩/১০/২০২২
তীব্র দহনে ক্ষত-বিক্ষত সমাজ ব্যবস্থা
আস্তাহীনতার ব্যাপক আক্রমনে সংক্রমিত,
তাবেদার গুষ্টির প্রবল প্রতাপে নিষ্পেষিত
মানবতার ইতিহাস আজ বুলন্ঠিত।
চারিদিকের পোকা মাকড়ে আক্রান্ত সমাজের মানুষগুলি
নির্বাক নিষ্পেষিত সমাজে বিক্রিত মানবতা সাজে সজ্জিত।
কাঁটাতারে আবৃত মানব জীবন লালায়ীত বাসনার লুলুপ দৃষ্টি
আর দেহের ক্ষুধায় ক্ষুধার্ত নগ্ন দেহের প্রজ্জলিত বাসনায়
নারীরা আজ কামনার জোয়ারে ভাসিয়ে দিয়েছে নিজেকে।
কোথায় আজ সেই মৃত এবং মাটি বা পাথরের নিষ্প্রান দেবতা?
স্বার্থের লোভে বিবেক বলি দেয়া জ্ঞানপাপী চাটার দল।
শকুনের দল মৃত পশুর বদলে জ্যান্ত প্রানীর দিকে
কামনার তৃপ্তি আদায়ে ব্যস্ত।
বিষাক্ত সাপের ছোবল মুল্যবান জীবন কেড়ে নিচ্ছে।
আততায়ীর সৃষ্ট কালো আইনের বেড়াজালে আবদ্ধ কালাকানুন,
মানব সমাজ, দেশ ও জাতির আর্ত চিৎকার
জুতসই লিপ্সু প্রশাসনের বেড়াজালে আবদ্ধ হয়ে আছে,
চিৎকার করার সামান্যতম শক্তিটুকুও তাদের নেই।
উন্মাদ প্রশাসনের প্রেসনের নিকট
সভ্যতার ইতিহাস নিস্ক্রিয়তার অতলে ডুবে গেছে,
মরনাস্ত্রের বিকট শব্দে দেশ তথা বিশ্ব আজ ভীত ও প্রকম্পিত
এরই মাঝেও নগ্ন নারীর বুকের উপর নিত্য করা হায়েনার
নির্লজ্জ ইতিহাস মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে।

চেতনার উজ্জীবিত কন্ঠ প্রজন্মকে করোনার চেয়েও বেশি
সংক্রমিত করে আবদ্ধ রেখেছে নির্বোধ জাতিকে,
স্বার্থের উন্মাদনায় উদ্বোদ্য গুষ্টি সমাজ, কৃষ্টি এবং সভ্যতাকে
পদদলিত করে নগ্নতার বেসাতি নিয়ে নিত্য করে চলেছে।
সভ্য সমাজ আজ বিষাক্ত পোকা মাকড়ের আক্রমন থেকে
বাঁচার জন্য আর্ত চিৎকার করে বাকরুদ্ধ হয়ে গেছে।
তাদের শক্ত ঠোঁট আর নখের আঁচড়ে বন্ধি নগ্ন সভ্যতা
আজ পাঠাবলির ঘেড়াকলে আবদ্ধ কেন ?
সভ্যতার আলোকে সভ্যতার লোকালয়ে শিক্ষিত পতিতারা
বীরধর্পে উন্মোক্ত রাজত্বে চষে বেড়ায় অদৃশ্য ক্ষমতার ছত্রছায়ায়।
বিতাড়িত সভ্যতার নিষ্ফল আবেদন
দোর গোড়ায় কড়া নাড়ছে জেগে উঠার আবেদনে…,
দৃষ্টিনন্দন লোভাতুর সমাজ সময়ের ব্যবধানে
সভ্যতার লাসের উপর নিত্য করে বেড়ায়,
মৃত সভ্যতার দৃষ্টি তাদের দেখে শব্দহীন চিৎকারে
আর্তনাদ করে এ সমাজকে বলছে…..
“আমাকে বলতে দাও, আমি কথা বলতে চাই,
আমাকে বদলে দাও, আমি বদলে যেতে চাই,
আমি নতুন প্রজন্মকে আলোকিত সুন্দর
একটা পৃথিবী দিয়ে যেতে চাই।”












