সরফরাজ হোসেন এফসিএস এর মানবাধিকার শান্তি পুরস্কার ২০২৪ অর্জন

অর্থনীতির ৩০ দিন সংবাদ :
১০ই ডিসেম্বর বিশ্ব মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে অগ্রগামী মিডিয়া ভিশন কর্তৃক আয়োজিত মানবাধিকার শান্তি পুরস্কার ২০২৪ প্রদান করা হয়। এ অনুষ্ঠানটি গত ১১ই ডিসেম্বর ২০২৪, বুধবার, বিকাল ৪ টায় হোটেল অরনেট, ৪০ বিজয়নগর, ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন ভাষা সৈনিক, বীর মুক্তিযোদ্ধা, আইনজীবী, সাংবাদিক, মানবাধিকার ব্যক্তিত্ব, সমাজসেবক, ব্যবসায়ী, সাংস্কৃতিক ও চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব, রাজনীতিবিদ, লেখক, কবি, গবেষক এবং প্রাক্তন মাননীয় বিচারপতি ও সচিব মহোদয়গণ। সে অনুষ্ঠানে পিপলস ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড এর কোম্পানি সচিব জনাব শেখ মো: সরফরাজ হোসেন এফসিএস মহোদয় কে শান্তি পুরস্কার ২০২৪ প্রদান করা হয়।
জনাব সরফরাজ হোসেন পদক গ্রহণের পূর্বে অনুষ্ঠানে ‘বিশ্ব মানবাধিকার ও বিশ্ব শান্তি রক্ষায় আমাদের করণীয়’ শীর্ষ আলোচনা সভায় মহামূল্যবান বক্তব্য রাখেন। তিনি উল্লেখ করেন, আমাদের সংবিধানে মৌলিক অধিকারের বিষয়ে বলা থাকলেও, এখন পর্যন্ত প্রতিটি নাগরিক তার সুনিশ্চিত অধিকার ভোগ/গ্রহণ করতে পারছে না। মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় সরকারকে যথেষ্ট ভূমিকা পালন করতে হবে। তিনি বলেন, আমাদের শিশুদেরকে প্রাথমিক শিক্ষালয় থেকেই পাঠ্যপুস্তকে মানবাধিকারের বিষয়ে ধারণা দিতে হবে। আমাদের সমাজ ব্যবস্থায় আমরা প্রত্যেকেই মানবাধিকার নিশ্চিত করার প্রসঙ্গে জনগণ এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সাথে সমন্বিত হয়ে কাজ করতে পারি। এটার জন্য কোন রাজনীতিবিদ বা সরকারের উচ্চ পদে অধিষ্ঠিত ব্যাক্তি বা পদের হওয়ার প্রয়োজন নেই। আমরা প্রত্যেকেই নিজ নিজ উদ্যোগে নিজ পরিবার ও সমাজেই মানবাধিকার প্রতিষ্ঠিত করতে পারি। আমাদের অসমতা দূর করতে হবে। যারা মানবাধিকার লুণ্ঠন কাজে জড়িত তাদেরকে বিরত থাকার জন্য চাপ প্রয়োগ করতে হবে। যে সমস্ত সংগঠন এবং প্রতিষ্ঠান মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার কাজে নিয়োজিত তাদেরকে আমরা তাদেও সাহায্যে এগিয়ে আসব। প্রথমে আমরা নিজেদের অধিকার সম্পর্কে জানব এবং সচেতন হব সেইসাথে অন্যের অধিকার কে সম্মান প্রদর্শন করব। সর্বোপরি প্রতিযোগিতা, অক্ষমতা, লিঙ্গ, শ্রেণী এবং জাতী ধর্ম নির্বিশেসে ভেদাভেদ বা বৈষম্য পরিহার করে মানবাধিকার নিশ্চিত করতে হবে।
শিশু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ব্যবস্থাপনা বিষয়ে তিনি গুরুত্ব দিয়ে বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থায়বাধ্যতামূলক ও বিনামূল্যে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। শিশুদের মধ্যে বর্ণ বৈষম্য বা ভেদাভেদ রাখা যাবে না। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পর্যাপ্ত কাঠামো নিশ্চিত করতে হবে। মান সম্মত ও প্রশিক্ষিত শিক্ষকের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। নিরাপদ নিশ্চিত এবং দুর্যোগ বহির্ভূত পরিবেশের অধিকার সৃষ্টি করতে হবে। সামঞ্জস্যপূর্ণ শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে এবং প্রত্যেক শিশুর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। পরিশেষে তিনি বলেন স্বচ্ছ এবং জবাবদিহি মূলক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ফিরে পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করতে হবে ।