“সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদে”এক কিংবদন্তীর নিরব প্রস্থান ।

অর্থনীতির ৩০ দিন ডেস্ক :
কোনো রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান বা প্রয়োজন ছাড়া রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন বঙ্গভবনে আসেননি। প্রতিদিনের কার্যক্রমের ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের কাছ থেকে সুবিধা নেননি। রাষ্ট্রপতির জন্য নির্ধারিত অন্য কোনো কিছু তিনি গ্রহণ করেননি। অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, বিদেশে অবস্থানরত পুত্রের সঙ্গে টেলিফোন-কথোপকথনের সতের শ টাকার বিল তিনি নিজে দিয়েছেন। অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির বিভিন্ন বক্তৃতা বা অনুষ্ঠানের একটি ভিডিও ক্যাসেট করিয়ে তার খরচ দিতে না পারলেও (এমন কোনো নিয়ম নেই বলে) একটি নতুন ভিডিও ক্যাসেট দিয়েছেন বাংলাদেশ টেলিভিশন কর্তৃপক্ষকে।
বলছি সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদের কথা। রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনকালে বিদেশি অতিথিদের কাছ থেকে প্রাপ্ত উপহার তিনি সরকারি তোষাখানায় জমা দিয়েছেন নিয়ম অনুযায়ী। অতিশয় সাধারণ পোশাক-পরিচ্ছদই তাঁর পছন্দ। রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণের পর অনেকেই তাঁকে নতুন কিছু জামাকাপড় বা স্যুট তৈরির কথা বলেছিলেন। সেসব কথাকে তিনি আমল দেননি।
সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদকে নিয়ে প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান এই কথাগুলো লিখেছেন। ১৯৯১ সালের ১০ অক্টোবর আজকের কাগজে ‘বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ, একজন অন্তর্মুখী মানুষের কথা’, শিরোনামে তিনি এই লেখা লিখেন।‌ আজকে আবার প্রথম আলো সেটি ফের প্রকাশ করেছে।
মতি ভাই লিখেছেন, সময়ানুবর্তিতার ব্যাপারে বিচারপতি সাহাবুদ্দীনের তীক্ষ্ণ নজর ছিল। প্রতিদিন সকালে দৈনিক পত্রিকা পড়ার মধ্য দিয়ে দিনের কাজ শুরু হয় তাঁর। ঠিক সময়ে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে উপস্থিত হয়েছেন প্রতিদিন, ব্যতিক্রমহীনভাবে। কখনো কোনো ফাইল তাঁর টেবিলে পড়ে থাকেনি। অবসর সময়ে তাঁর নেশা বই পড়া।
মতি ভাই লিখেছেন, বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদের জীবনযাপনের আরেকটি দিকও বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। বিগত বছরগুলোতে রাষ্ট্রপ্রধানের স্ত্রী, পারিবারিক সদস্য বা আত্মীয়স্বজনের যে দোর্দণ্ড প্রভাব ও হস্তক্ষেপ দেখা গেছে রাষ্ট্রের নানা বিষয়ে, সেখানে বিচারপতি সাহাবুদ্দীনের ক্ষেত্রে এর এক কণা দেখা দূরের কথা, এ রকম কোনো কিছু শোনাও যায়নি। তাঁর স্ত্রী একবারের জন্যও বঙ্গভবনে আসেননি। রাষ্ট্রীয় কোনো অনুষ্ঠানেও তাঁকে দেখা যায়নি।
বিচারপতি সাহাবুদ্দীন থেকেছেন নিভৃতে, পরিবারের মধ্যে। অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির সন্তান-সন্তানাদির কোনো কথা শোনা যায়নি। কারও জন্য ছিল না কোনো বিশেষ সুবিধা। তাঁর বাসভবনে কোনো আত্মীয়স্বজনের আসা-যাওয়া ছিল প্রায় নিষিদ্ধ। বিচারপতিদের সাধারণত বেশ কিছুটা বিচ্ছিন্ন থাকতে হয় সমাজ থেকে। কিন্তু বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ তার চেয়েও বেশি সতর্ক ছিলেন। এসবই তিনি করেছেন রাষ্ট্রীয় নেতাদের জীবনযাপনের একটি নির্দিষ্ট মান তৈরির জন্য এবং সেখানেও তিনি সফল হয়েছেন।
ট্রেনে বসে বসে মতি ভাইয়ের লেখাটিসহ বিচারপতি সাহাবুদ্দীনকে নিয়ে নানাজনের স্মৃতিচারণ পড়ে মুগ্ধতা বাড়ছিল। কেবল মতি ভাই নয় বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদকে নিয়ে প্রায় সবাই একই ধরনের কথা লিখেছেন। এগুলোর প্রায় সবই জানি। তারপরও মনে হলো, এই দেশে সুযোগ পেলেই রাজনীতিবিদ থেকে শুরু করে সরকারি চাকুরে বা প্রায় সব পেশার লোক যেভাবে ক্ষমতার বাহাদুরি করে সেই বিবেচনায়
তরুণ প্রজন্মের জন্য কথাগুলো আবার বলি।
বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ সরকারি অর্থ খরচে যে মিতব্যয়িতা অবলম্বন করতেন তার উদাহরণ সাবেক প্রধান বিচারপতি লতিফুর রহমান নিজের স্মৃতি কথায় লিখেছেন।
তখন বিচারপতি লতিফুর রহমান মাত্রই আপীল বিভাগের বিচারপতি হয়েছেন। তাঁর মেয়ে রূম্পা যুক্তরাষ্ট্র থেকে বেড়াতে এসেছেন। তিনি বললেন পর্দার কাপড় তিনি পছন্দ করবেন। তাঁর মেয়ে যে পর্দার কাপড় পছন্দ করল তার প্রতিগজ মূল্য ১১০ টাকা। তিনি তৎকালীন রেজিস্ট্রারকে ডেকে বললেন, আমার মেয়ে ১১০ টাকা গজের কাপড় পছন্দ করেছে এবং ঐ ঘরের পর্দার জন্য দশ হাজার টাকার উপরে লাগবে। সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার বললেন, এটা কোন ব্যাপার না। পর্দা সময়মত এসে গেল এবং লাগানো হলো।
অনেকদিন পর প্রধান বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ বিচারপতি লতিফুর রহমানকে ডেকে বললেন, আপনার এক ঘরের পর্দার দাম এসেছে দশ হাজার টাকার ওপরে। অথচ প্রধান বিচারপতির বাসায় চল্লিশ টাকা গজের পর্দা লাগানো হয়।
বিচারপতি লতিফুর রহমান বললেন, তিনি সৌখিন লোক। তাছাড়া মেয়ে এটা পছন্দ করেছে। তিনি জানতে চাইলেন এখন তাকে কী করতে হবে। তখন প্রধান বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ বললেন, আপনি সাড়ে চার হাজার টাকা দিয়ে দিন। বাকিটা সরকার দেবে।
ওইভাবে নোট লেখা হলো। বিচারপতি লতিফুর রহমান টাকা দিয়ে দিলেন। টাকা দেয়ার পর প্রধান বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদের প্রতি তাঁর শ্রদ্ধা বেড়ে গেল।
ভাবতেই ভালো লাগে, এই দেশে বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমেদের মতো অসাধারণ মানুষও ছিলেন!
আপনারা হয়তো জানেন, কখনও রাজনীতি না করেও বাংলাদেশের রাজনৈতিক এবং গণতান্ত্রিক সংগ্রামের ইতিহাসে মানুষটির ভূমিকা অনন্য। ১৯৯০ সালে এরশাদ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান ছিলেন। এটি একটি ঐতিহাসিক ঘটনা।
এরশাদের পতনের পর রাষ্ট্রপতির শূন্য পদে বসবেন কে; আর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধানই বা কে হবেন তা নিয়ে রাজনৈতিক সংকট তৈরি হলো। এই চরম বিভ্রান্তির মুহূর্তে কে হবেন রাষ্ট্রের অন্তর্বর্তী প্রধান? কাকে নিয়োগ দেওয়া হবে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির পদে? যিনি দায়িত্ব নেবেন তাকে যেমন হতে হবে নিরপেক্ষ তেমনি সবার কাছে তার গ্রহণযোগ্যতা থাকতে হবে।
বাম জোটের পক্ষ থেকে হঠাৎ প্রস্তাব দেওয়া হলো সুপ্রিম কোর্টের তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদের নাম। মুহূর্তেই সবাই সেটা মানলেন। কারণ বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদের প্রতি সবার আস্থা ছিল। কিন্তু যখন সাহাবুদ্দীন আহমদকে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির পদ গ্রহণ করে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হলো, তিনি অস্বীকৃতি জানালেন।
আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা তখন টেলিফোন করে সাহাবুদ্দীন আহমদকে বললেন, ‘আপনি ছাড়া এই মুহূর্তে জাতিকে সংকট থেকে বের করতে পারে এমন কেউ নেই। আমরা আশা করি আপনি জাতিকে এই সংকট থেকে উত্তরণ করবেন।’ তিনটি রাজনৈতিক জোটের পীড়াপীড়িতে একপ্রকার বাধ্য হয়েই তিনি প্রস্তাব গ্রহণ করবেন বলে জানালেন। তিনি তখন একটি শর্ত জুড়ে দিলেন। বললেন, ‘যে দলই নির্বাচনে জয়লাভ করে সরকার গঠন করুক, সরকার গঠনের পর যদি আমাকে দায়িত্ব পালন শেষে স্বপদে অর্থাৎ প্রধান বিচারপতির পদে ফিরিয়ে আনা হয় তবেই আমি অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির পদ নিতে রাজি।’
রাজনৈতিক জোটগুলো তার প্রস্তাব মেনে নিল। এই দেশে সবাই ক্ষমতার সবচেয়ে চূড়ান্ত পর্যায়ে যেতে চান। আর সাহাবুদ্দিন আহমদ ফিরতে চাইলেন প্রধান বিচারপতি পদে। অবশ্য ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর তাঁকে রাষ্ট্রপতি করে। এবারও তাকে রাজি করাতে বেগ পেতে হয় আওয়ামী লীগকে।
২০০১ পর্যন্ত তিনি রাষ্ট্রপতি ছিলেন। যদিও এবার নানা বিষয়ে আওয়ামী লীগের সাথে মতবিরোধ তৈরি হয়। ২০০১ সালে নির্বাচনে পরাজয়ের জন্য লতিফুর রহমান ও তাঁকে দোষারোপ করা হয়। তবে অসাধারণ এই মানুষটি সকল মোহের ঊর্ধ্বে নিভৃতে তাঁর দায়িত্ব পালন করছেন। বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারকাজ শুরুর প্রস্তাব তিনি দিয়েছিলেন এমন কথাও শুনেছি। শ্রদ্ধা মানুষটাকে।
সরকারি একজন কর্মকর্তা সারোয়ার আলম বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ ও তাঁর দুই কন্যাকে নিয়ে লিখেছেন, অন্তর্মুখি এই বিশাল ব্যক্তিত্ব, মহান পুরুষ সম্পর্কে সম্ভবত বর্তমান প্রজন্ম অজ্ঞাত আর আমরা তখনকার প্রজন্ম বিস্মৃত।
সারোয়ার আলম লিখেছেন, সম্ভবত ১৯৯৭/৯৮ সাল। তদানীন্তন মহামান্য রাষ্ট্রপতির দুই কন্যা সেতারা পারভীন ও সামিয়া পারভীন হুমায়রা আসবেন কলকাতায়। তখন আমি ডেপুটি হাইকমিশনের দ্বিতীয় সচিব। প্রটোকলের সার্বিক গুরু ও সংবেদনশীল দায়িত্ব পড়লো আমার কাঁধে। ঊনারা কলকাতায় পৌঁছালেন।কিন্তু সমস্যা হলো কলকাতা বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা জানাতে যেয়ে।
মহামান্য রাষ্ট্রপতির মেয়ে, নিয়ম মতো পূর্ণ প্রটোকল পাবন। কিন্তু উনারা দূতাবাসের সরকারি গাড়িতে কিছুতেই চড়বেন না । পরে নিরাপত্তার কথা আর খরচ তাঁরাই বহন করবেন — এই প্রতিশ্রুতিতে মিশনের গাড়িতে সফরে রাজি করানো হলো। উপদূতাবাস আগে থেকে নিউমার্কেটের কাছে রাজ্য সরকারের অতিথিশালা ঊনাদের থাকার বন্দোবস্ত করে রেখেছিল। আমি অজস্র প্রটোকল করেছি। কিন্তু এই অতিথিশালায় এবারই প্রথম। বিমানবন্দর থেকে ঊনাদের নিয়ে এসে আমি কিংকর্তব্যবিমূড়। এটি এতোটাই সাদামাটা আর অগোছালো, কিন্তু ঊনারা দু জনেই তা সাদরে গ্রহণ করলেন।
আপনারা অনেকেই হয়তো জানেন, সিতারা পারভীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন। বাবার মতোই ভীষণ বিনয়ী মানুষ। তিনি যে রাষ্ট্রপতির মেয়ে ছিলেন কখনোই বোঝা যেত না।
২০০৫ সালের ২৩ জুন যুক্তরাষ্ট্রে সড়ক দুর্ঘটনায় সিতারা পারভীন নিহত হন। আমি তখন বিডিনিউজে কাজ করি। দিনটি ছিল ভীষণ বিষাদের। সিতারার পারভীনের স্বামী আহাদুজ্জামান মোহাম্মদ আলীও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক এবং আরেকজন বিনয়ী ও অসাধারণ মানুষ।
যাই হোক সারোয়ার আলমের স্মৃতিচারণে ফিরি। তিনি লিখেছেন, একদিন শ্রদ্ধেয় সেতারা আপা জানালেন বাবা ( মহামান্য রাষ্ট্রপতি) রাতে প্রায় সাধারণ লুঙ্গি পরে লনে নেমে আসেন, অফিসারদের কাছে চলে যান। ঊনি তাই রাতের ঘুমানোর পোশাক পায়জামা ও কোর্তা বাবাকে উপহার দিতে কিনতে চান। কারণ বাবা নিজে তা কিনবেন না। একদিন উনাদের কলকাতার এসি মার্কেটসহ সেসময়ের বড় শপিং মলে নিয়ে গেলাম। কিন্তু বাঁধ সাধলো দাম।
বেশি ঐও দাম দিয়ে কিনলে আর আড়ম্বরপূর্ণ হলে যে পিতা সাহাবুদ্দীন আহমদ তা গ্রহণ করবেন না! পরে অনেক খুঁজেটুজে গড়িয়াহাটের সাধারণ মার্কেট থেকে কেনা হলো — তদানীন্তন মাননীয় রাষ্ট্রপতির জন্য — সস্তায় ও অতি সাধারণ মানের নাইটি বা রাতের পোশাক। পিতার মতোই সন্তানেরাও নম্র, ভদ্র; চিন্তা, চেতনা ও কর্মে সৎ এবং পূর্ণ আদর্শবান । এমন সাটামাটা জীবনযাপন ও আদর্শবান মানুষ ভবিষ্য প্রজন্মের কাছে অনুপ্রণীয় শুধু নয় পুরোটা অনুসরণীয়।
আমরা ভারতের রাষ্ট্রপতি এপিজে কালামকে নিয়ে এমন অনেক ঘটনা জানি। অথচ বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদকে নিয়ে এগুলো সেভাবে প্রচার হয়নি। বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ দেশে নিরপেক্ষ, সুষ্ঠ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন এবং গণতন্ত্রের সঠিক উত্তরণ; বিচার, সংবিধান ও শাসন পরিচালনায় সততা, শুদ্ধতার বিরল সব দৃষ্টান্ত তৈরি করেছেন।
সাবেক রাষ্ট্রপতি বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ আজ ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। তাঁর মৃত্যুর মধ্যে দিয়ে একজন আদর্শবান, সৎ, সজ্জন, নির্মল, নিষ্ঠাবান, দক্ষ, নিরপেক্ষ, পুণ্যবান বিচারকের প্রয়াণ হলো। দোয়া করি আল্লাহ তাঁকে জান্নাতবাসী করুন। আমরা যেন এই মানুষগুলোর সততা থেকে শিক্ষা গ্রহণ করি।
লিখেছেন:Shariful Hasan