ডেসকো: আপনজন নিয়োগেই নিয়মভঙ্গের কারন, দায় কার ??

• চাকরিবিধি লঙ্ঘন, হচ্ছে পদায়ন
• নিয়োগে স্বজনপ্রীতি, চলছে বাণিজ্য
• বিজ্ঞপ্তিতে প্রকাশিত সংখ্যার দ্বিগুন পদায়ন

অর্থনিতির ৩০ দিন প্রতিবেদক :
স্বচ্ছ, বিতর্কহীন ও নিস্কলুস নিয়োগ, পদোন্নতি বা অন্য যে কোনো বিষয়ে পরীক্ষাই দীর্ঘদিন তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে সম্পন্ন করেছে ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানী লিমিটেড (ডেসকো)। কিন্তু হঠাৎ করেই দীর্ঘদিনের এ রেওয়াজ ভেঙ্গে দিয়েছে সংস্থাটি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আপনজনদের নিয়োগ দিতেই দীর্ঘদিনের চলমান এ নিয়ম ভাঙ্গার অন্যতম কারন বলে মনে করছেন অনেকেই।
অভিযোগ রয়েছে, ঢাকা ইলেক্ট্রিক সাপ্লাই কোম্পানিতে (ডেসকো) চলছে রমরমা নিয়োগ বাণিজ্য। এ নিয়োগ বাণিজ্যে জড়িত রয়েছেন খোদ সংস্থাটিরই উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। অবৈধ লেনদেনের মাধ্যমে হাতিয়ে নিয়েছেন কোটি কোটি টাকা। আবার চাকরিবিধি লঙ্ঘন করে এবং প্রভাব খাটিয়ে কর্মকর্তারা নিয়োগ দিচ্ছেন তাদের আত্মীয়-স্বজনদের। এরই ধারাবাহিকতায় ডেসকোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রকৌশলী মো. কাওসার আমীর আলীর পুত্র এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রনালয়ের বিদ্যুৎ বিভাগের জনৈক সচিবের নিকট আত্মীয়কে সম্প্রতি সহকারী প্রকৌশলী পদে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এমনকি প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে নিয়োগের যে সংখ্যা উল্লেখ রয়েছে তার প্রায় দ্বিগুন প্রার্থীকে পদায়ন করা হয়েছে। উল্লেখ্য, সংস্থাটিতে এর আগেও ২০১১ সালে তৎকালীন কর্মকর্তারা একই পদ্ধতিতে অনিয়মতান্ত্রিকভাবে নিজেদের নিকট আত্মিয়দের নিয়োগ দেন।
যদিও ডেসকো’র চাকরিবিধির ৩ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তাদের কোনো নিকট আত্মীয়কে নিয়োগ দেওয়া যাবে না। চাকরিবিধির না করে সংস্থাটিতে অনেক কর্মকর্তাই প্রভাব খাটিয়ে নিজ সন্তান, মেয়ে জামাতা, ভাই, বোন, ভগ্নিপতি, ভাতিজাসহ নিকট আত্মীয়কে নিয়োগ দিচ্ছেন।
এদিকে ১২ মার্চ প্রকাশিত ডেসকো’র এক (ম্যামো নম্বর: ২৭.২৪.০০০০.০১৬.১১.০০১.২৩.৯২২) নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির ৬টি দফার ১ম টিতে ৭ম গ্রেডে ৮ জন সহকারী প্রকৌশলী নিয়োগের উল্লেখ রয়েছে। কিন্তু চাকরি প্রত্যাশী প্রার্থীরদের পদায়নে অফিস আদেশের তালিকায় ১৪ জনেরও বেশি সহকারী প্রকৌশলীর (সিএস/সিএসই/ইসিই) নাম দেখা যায়। যা নিয়ে ইতোমধ্যেই বিভিন্ন মহলে নানা ধরনের গুঞ্জন ভেসে বেড়াচ্ছে।
এ ব্যাপারে বিদ্যুৎ বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. হাবিবুর রহমান বলেন, ম্যানেজেবল হলে সংস্থাগুলো নিয়োগ পরীক্ষা নিজেরাই সম্পন্ন করে। যখন প্রার্থীর সংখ্যা বেশি হয় তখন তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে এগুলো করা হয়। আর যখন কম হয় তখন সংস্থা নিজেরাই এসব কার্যক্রম করে থাকেন। সরকারী সিদ্ধান্ত হয়েছে এখন পারত পক্ষে কেউ তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে পরীক্ষা নিচ্ছে না।
বিজ্ঞপ্তিতে ৮জন সহকারী প্রকৌশলী নিয়োগের কথা উল্লেখ থাকলেও পদায়ন করা হয়েছে ১৪ জনেরও বেশি এটা কতটুকু বিধিসম্মত এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, সার্কুলারে হয়তো বলা থাকে সংখ্যা কম-বেশি হতে পারে। যোগ্য প্রার্থী পাওয়া গেলে এমন বিবেচনা করা হয়।

ডেসকো পরিচালনা পর্ষদের পরিচালক মো. রোকন-উল-হাসান এ ব্যাপারে বলেন, ডেসকো’র বোর্ড মিটিং-এ এসব বিষয় আলোচনা উঠানো হয় না। যার ফলে এ বিষয় কিছু জানি না। বিজ্ঞপ্তিতে ৮জন সহকারী প্রকৌশলী নিয়োগের উল্লেখ থাকলেও পদায়ন করা হয়েছে ১৪ জনেরও বেশি এটা কতটুকু বিধিসম্মত এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, এসব বিষয় ডেসকো’র এমডি ভালো বলতে পারবেন।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, ডেসকো’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রকৌশলী মো. কাওসার আমীর আলীর ছেলেকে এবং বিদ্যুৎ বিভাগের একজন সচিবের নিকট আত্মীয়কে চাকরিবিধি লঙ্ঘন করে সহকারী প্রকৌশলী পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ডেসকো এমডি’র ছেলে রাইদ আমিরকে (আইডি নম্বর: ২৪৮৭) আইসিটি বিভাগে এবং বিদ্যুৎ সচিবের নিকট আত্মীয় মো. ইমরান হোসেনকে (আইডি নম্বর: ২৩৬৪) প্রকল্প পরিচালক (ঢাকা পওয়ার সিস্টেম এক্সপানশন এন্ড স্টোদেনিং প্রজেক্ট ইন ডেসকো এরিয়া) এর দপ্তরে পদায়ন করা হয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, নিয়োগ বানিজ্য ও আত্মিয় স্বজনদের চাকরি দিতে ঐ নিয়োগ পরীক্ষায় গত প্রায় এক যুগের চলমান তৃতীয় পক্ষ দ্বারা পরীক্ষা গ্রহন প্রক্রিয়া গ্রহন করা হয়নি। যদিও সংস্থাটিতে এর পূর্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, এমআইএসটি কিংবা বুয়েট দ্বারা নিয়োগ পরীক্ষা নেয়া হতো। কিন্তু হঠাৎ রহস্যজনকভাবে চলতি বছর এই প্রক্রিয়ায় নিয়োগ পরীক্ষা নিচ্ছেন না ডেসকো কর্তৃপক্ষ। বিষয়টি নিয়ে চারদিকে নানা গুজ্ঞন ভেসে বেড়াচ্ছে।
এ ব্যাপারে নাম প্রকাশ না করার শর্তে ডেসকোর একজন নির্বাহী পরিচালক জানান, বেশ কিছুদিন ধরেই বিভিন্ন ধরনের ইন্টারভিউ কিংবা পরীক্ষা ডেসকোর স্বচ্ছতা প্রমানের লক্ষ্যে তৃতীয় পক্ষ অর্থাৎ বিশেষ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, এমআইএসটি কিংবা বুয়েটের মাধ্যমে নেয়া হয়েছে কিন্তু হঠাৎ করে কি কারনে ১২ মার্চ প্রকাশিত (ম্যামো নম্বর: ২৭.২৪.০০০০.০১৬.১১.০০১.২৩.৯২২) নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির পরীক্ষা তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে না নেয়ায় বিভিন্ন ধরনের বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। এরমধ্যে এ নিয়োগে আবার বিদ্যুৎ সচিবের আত্মীয় ও ডেসকো এমডির ছেলের চাকরি হওয়ায় এই বিতর্কে আগুনে ঘি ঢালার মতো হয়েছে। সবকিছু নিয়মানুযায়ী হলেও পরীক্ষা তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে না নেয়ায় স্বাভাবিকভাবেই জনমনে সন্দেহের সৃষ্টি হয়েছে।
ডেসকোর সংশ্লিষ্ট সূত্র অভিযোগ করেছে, কর্মকর্তারা প্রভাব খাটিয়ে তাদের আত্মীয়-স্বজনদের নিয়োগ দিচ্ছেন। এছাড়াও বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই তারা চাকরিবিধি লঙ্ঘন করছেন। আর এসব কারনেই সংস্থাটির শীর্ষ কর্মকর্তাদের কেউ কেউ তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে পরীক্ষা নেয়া প্রক্রিয়া বন্ধ করেছেন।
এ সব বিষয়ে ডেসকোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রকৌশলী মো. কাওসার আমীর আলীর মোবাইল ফোনে ১ অক্টোবর জানতে চাইলে তিনি ব্যস্ত আছে পরের দিন অর্থাৎ সোমবার যোগযোগ করতে বলেন। তবে এ দিন সন্ধ্যার পর জনৈক মলয় দেবনাথ ডেসকোর পিআরও পরিচয় দিয়ে এমডি খুবই ব্যস্ত তার সাথে পরবর্তি সপ্তাহে কথা বলার দিনক্ষন সোমবার জানাবেন বলে জানান। কিন্তু সেই সোমবার তিনি কিছু আর না জানানোয় এ প্রতিবেদক পুনরায় ডেসকোর এমডি’র মোবাইলে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। পরবর্তিতে এ বিষয়ের প্রশ্ন সম্বলিত খুদে বার্তা পাঠালেও তিনি কোনো জবাব দেননি।
এদিকে ডেসকো’র ওয়েব সাইটে তথ্য অধিকার বিষয়ক দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও আপীল কর্তৃপক্ষের নামের তালিকার কোথাও পিআরও পরিচয় দেয়া মলয় দেবনাথের নাম পাওয়া যায়নি। এমনকি পিআরও পদবিটিও দেখা যায়নি। অথচ মলয় দেবনাথ এ প্রতিনিধীর কাছে ডেসকোর পিআরও পরিচয় দিয়েছেন। যা নিতান্তই সন্দেহজনক বলে মনে হচ্ছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ডেসকো’র সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মলয় দেবনাথ প্রকৃতপক্ষে ডেসকো’র কেউ না। তবে তিনি সাংবাদিকদের ম্যানেজ সহ এমডি’র স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় বাস্তবায়ন করেন। তাকে অনেকইে দালাল হিসেবে মনে করছে বলে সূত্রের দাবি।
ডেসকো সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য এস, এম, জগলুল হায়দার এমপি জানান, ‘সরকারী বিধি বিধানের অমান্য করে কাজ করলে তা ঠিক হয়নি, আপত্তিকর। মনে হচ্ছে এ সংস্থাটি দুর্নীতিতে ভরা। দুর্নীতির যদি কোনো ক্লাসিফিকেশন করা হয়, তাহলে দুর্নীতিগ্রস্থদের তালিকায় হয়তোবা শীর্ষে থাকবে ডেসকো।’
অনুসন্ধানে জানা গেছে, চলতি বছরের একই পদ্ধতিতে ২০১১ সালের শেষ দিকে ডেসকো’র মিরপুর জোনের তৎকালীন উপ-মহাব্যবস্থাপক এবং বর্তমানে নির্বাহী পরিচালক (অপারেশন) জাকির হোসেনের আপন ভাইকে গুলশান বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের অফিস সহকারী পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে জাকির হোসেনের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
ঐ সময় তৎকালীন ব্যবস্থাপক (বর্তমানে কানাডা প্রবাসী) নজিবুল আলম খন্দকারের আপন ভগ্নিপতি দবির উদ্দিনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল উত্তরার সহকারী ব্যবস্থাপক হিসেবে এবং এই কর্মকর্তার শ্যালক ইকবাল হোসেনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল টঙ্গীর সহকারী ব্যবস্থাপক পদে।
এ বিষয়ে নজিবুল ইসলামের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তা সম্ভব হয়নি।
এছাড়া তৎকালীন জেনারেল ম্যানেজার (প্রকল্প) প্রকৌশলী নূর মোহাম্মদের ভাতিজি জামাই জয়নাল আহমেদকে স্টোর কিপার, ভাতিজা হারুণকে এমএলএসএস পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। যদিও প্রকৌশলী নূর মোহাম্মদ জানান, এ নামে তার কোনো ভাতিজা বা জামাই নেই।
ডেসকো’র ডেভেলপমেন্ট এন্ড প্রজেক্টের প্রধান প্রকৌশলী ও তৎকালীন উপ-মহাব্যবস্থাপক (সংগ্রহ) শরিফুল ইসলামের আপন ভাই আরিফুল ইসলামকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল পল্লবীর সহকারী ব্যবস্থাপক পদে। শরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে মালামাল ক্রয়ে নানা রকম দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেলেও শরিফুল ইসলাম এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

তৎকালীন পরিচালক (সংগ্রহ) মোস্তফা কামালের আপন ভাই ও ভাতিজাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে ডেসকো সূত্রে জানা গেছে। সূত্রটি জানায়, এরকম অন্তহীন অনিয়ম রয়েছে নিয়োগ প্রক্রিয়ায়।
তৎকালীন সময়ে সহকারী ব্যবস্থাপক পদে নিয়োগ পেতে একজন আবেদন করলে তাকে নিয়োগ দেওয়া হয় উপ-ব্যবস্থাপক পদে। এরকম ‘তোঘলকি’ কারবারেরও ঐ সময় প্রমাণ পেয়েছে সংসদীয় স্থায়ী কমিটি।
অনিয়ম-দুর্নীতির দুষ্টচক্র থেকে বের হয়ে আসার তাগিদ দিয়ে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘বিদ্যুৎ খাতে সেবা নিতে গিয়ে অনেকেই অনিয়ম বা দুর্নীতির শিকার হচ্ছেন। নিয়মবহির্ভূত অতিরিক্ত অর্থ দিতে বাধ্য করার অভিযোগও এসেছে। এ সেবা খাতটিতে প্রত্যেকেই কোনো না কোনোভাবে ইচ্ছায় বা অনিচ্ছায় দুর্নীতির সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। এতে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে সাধারণ জনগণ, বিশেষ করে যাদের পক্ষে কথা বলার তেমন কেউ নেই।
এদিকে ডেসকো’র এক বোর্ড সদস্যের শ্যালক সাদেক মো. টিপুকে নিয়োগ দেওয়া হয় চাকরিবিধি ভঙ্গ করে। কোনো বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ ছাড়াই সাদেক মো. টিপুকে ডেপুটি ম্যানেজার পদে নিয়োগ দেওয়া হয় ২০১১ সালের এপ্রিল মাসে। তার বেতন নির্ধারণ করা হয় ৫৬ হাজার টাকা। ওই পদে নিয়োগের বয়সসীমা ৩৫ বছর থাকলেও তাকে নিয়োগ দেওয়া হয় ৪১ বছর বয়সে। এছাড়া চাকরি নেওয়ার জন্য গ্রামীণ ফোনের ম্যানেজার (এইচআইডি) পদে চাকরির ভূয়া অভিজ্ঞতা সনদ জমা দেন তিনি।
তৎকালীন সময়ে সংসদীয় কমিটির তদন্তে অভিজ্ঞতার সনদটি ভূয়া বলে প্রমাণিত হয়েছে। তৎকালীন সংসদীয় কমিটির এক সদস্য তার অভিজ্ঞতার সনদ জাল প্রমাণিত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, ২০১১ সালের ৯ মে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের দুর্নীতি তদন্তের জন্য ৬ নম্বর সাব কমিটি করা হয়। এতে আহ্বায়ক করা হয় ওমর ফারুক চৌধুরীকে। সদস্য করা হয় ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস (বর্তমান ঢাকা দক্ষিন সিটি মেয়র) ও প্রয়াত ইসরাফিল আলম এমপিকে। ধাবাহিক চলেব