৩০ দিন প্রতিবেদক :
সাম্প্রতিক সময়ে তরল পেট্রোলিয়াম গ্যাস-এলপিজির সিলিন্ডার বিস্ম্ফোরণে প্রায় হতাহতের ঘটনা ঘটছে। কিন্তু এসব ক্ষেত্রে জুটছে না ক্ষতিপূরণ। তাই এলপিজি গ্রাহকদের বীমার আওতায় আনার চিন্তাভাবনা চলছে। রোববার জ্বালানি বিভাগে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এই সুপারিশ করা হয়েছে।
বৈঠকে বিদ্যুৎ-জ্বালনি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, মানুষ রান্নার কাজে বিপুল পরিমাণ এলপিজি ব্যবহার করছে। সরকারের নীতিমালার কারণে এলপিজির ব্যবহার গত নয় বছরে ৮০০ গুন বেড়েছে। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে কিছু দুর্ঘটনা ঘটেছে। ব্যবহার বাড়লেও নিরাপত্তার সঠিক সূচক অনুসরণ করা হচ্ছে না। বৈঠকে উপস্থাপিত প্রতিবেদন বলা হয়, প্রত্যেকটি কোম্পানি তাদের ভোক্তাদের নিবন্ধন করে একটি ডাটাবেস তৈরি করবে। এরপর নিবন্ধনকৃত ভোক্তাদের সংশ্নিষ্ট কোম্পানি বীমা সুবিধার আওতায় আনবে। যাতে করে গ্রাহক কোনো দুর্ঘটনার শিকার হলে ক্ষতিপূরণ পান। বৈঠকে জ্বালানি সচিব নজিম উদ্দিন চৌধুরী ছাড়াও সংশ্নিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সূত্র জানায়, বীমা করার বিষয়ে এলপিজি কোম্পানিগুলোর সঙ্গে জ্বালানি বিভাগ পৃথক বৈঠক করবে। কোম্পানিগুলোকেই তাদের ভোক্তাদের নিরাপত্তার দায়িত্ব নিতে বলা হবে।
সাম্প্রতিক সিলিন্ডার দুর্ঘটনার বিষয়ে বিস্ম্ফোরক অধিদপ্তরের প্রধান পরিদর্শক শামসুল আলম বলেন, ঘটনাগুলো রান্নাঘর বিস্ম্ফোরণ। তদন্তে সিলিন্ডারগুলোর ত্রুটি ধরা পড়েনি।












