জাতীয় পাট দিবসে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুরস্কার পাবেন ১৪ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান

অর্থনীতির ৩০ দিন প্রতিবেদক :
পরিবেশবান্ধব ফসল হিসেবে পাটের গুরুত্ব বিবেচনায় পাট চাষে কৃষকদের আগ্রহী করে তোলা, দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে পাট ও পাটপণ্যের ব্যবহার বৃদ্ধি এবং সোনালি আঁশের উজ্জ্বল সম্ভাবনা তুলে ধরার লক্ষ্যে প্রতি বছরের মতো আগামীকাল জাতীয় পাট দিবস উদযাপন করা হবে। বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) পাট দিবসের মূল অনুষ্ঠান এবং ৬ ও ৭ মার্চ দুই দিনব্যাপী পাটপণ্য মেলার আয়োজন করা হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রধান অতিথি থেকে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন ঘোষণা করেন। এবারের জাতীয় পাট দিবসের স্লোগান নির্ধারণ করা হয়েছে ‘সোনালি আঁশের সোনার দেশ, জাতির পিতার বাংলাদেশ’।
সচিবালয়ে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী। তিনি জানান, জাতীয় পাট দিবস-২০১৯ উপলক্ষে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও সড়কদ্বীপ পাট ও পাটজাত পণ্য দিয়ে সাজানো হচ্ছে। পোস্টার, লিফলেট, ব্যানার ও বিলবোর্ডের মাধ্যমে ব্যাপক প্রচারণা চালানো হচ্ছে।
এবারের অনুষ্ঠানে পাট দিবসের গুরুত্ব তুলে ধরা এবং পাট-সংক্রান্ত বিষয়ে সবার মধ্যে আগ্রহ সৃষ্টির লক্ষ্যে ১৪টি ক্যাটাগরিতে ১৪ জন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কৃত করা হবে। ক্যাটাগরিগুলো হলো সেরা পাটচাষী, সেরা পাটবীজ উৎপাদনকারী, কাঁচা পাট রফতানিকারক সেরা প্রতিষ্ঠান, পাটপণ্য উৎপাদনকারী সেরা পাটকল (সরকারি), পাটপণ্য উৎপাদনকারী সেরা পাটকল (বেসরকারি), সরকারি পাটকলে সর্বোচ্চ পাট সরবরাহকারী, পাটপণ্য রফতানিকারক সেরা প্রতিষ্ঠান (বেসরকারি), বহুমুখী পাটপণ্য রফতানিকারক সেরা পাটকল (বেসরকারি), বহুমুখী পাটপণ্য রফতানিকারক সেরা উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান, বহুমুখী পাটপণ্য উৎপাদনকারী সেরা উদ্যোক্তা (নারী), বহুমুখী পাটপণ্য উৎপাদনকারী সেরা উদ্যোক্তা (পুরুষ), পাটসুতা রফতানিকারক সেরা প্রতিষ্ঠান (বেসরকারি), সর্বোচ্চ পাটপণ্য রফতানিকারক (ট্রেডার্স) এবং পাট শিল্পের উন্নয়নে গবেষণা ও শিক্ষা।
সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী বলেন, পরিবেশবান্ধব পাটজাত পণ্যের অভ্যন্তরীণ ব্যবহার বৃদ্ধির বিষয়ে সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। মানবসম্পদ উন্নয়নে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর বিজ্ঞান অনুষদে ‘পাটবিষয়ক’ স্বয়ংসম্পূর্ণ বিভাগ চালু করা এবং পাট ও পাটবীজ চাষ সম্প্রসারণ, নতুন নতুন বহুমুখী পাটজাত পণ্যের উদ্ভাবন, সম্প্রসারণ ও বাজারজাতের বিষয়ে গবেষণা ও উচ্চতর ডিগ্রি (এমফিল/পিএইচডি) প্রদানের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনকে অনুরোধ জানানো হয়েছে। এছাড়া পাটের বৈচিত্র্যময় ব্যবহার বৃদ্ধির লক্ষ্যে পাটপণ্য গবেষণা ইনস্টিটিউট স্থাপনের বিষয়টি আমাদের পরিকল্পনায় রয়েছে।