দান বাক্সে কোটি টাকা

অর্থনীতির ৩০ দিন ডেস্ক :
কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দান বাক্স থেকে এবার ১ কোটি ১৩ লাখ ৯৬ হাজার ৬৮৫ টাকা পাওয়া গেছে। গণনা শেষে এ টাকার হিসাব পাওয়া যায়। টাকা ছাড়াও বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালঙ্কার ও বৈদেশিক মুদ্রা পাওয়া যায়।
জেলা প্রশাসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে পাগলা মসজিদের পাঁচটি দান বাক্স তিন মাস পর খোলা হয়। প্রথমে দান বাক্স থেকে টাকাগুলো বস্তায় ভরা হয়। এরপর শুরু হয় টাকা গণনা। প্রতিবারই এসব দান বাক্সে পাওয়া যায় প্রায় কোটি টাকা।
কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আলমগীর হোসাইন, জ্যেষ্ঠ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবু তাহের মো. সাঈদ, সিন্দুক খোলা কমিটির সদস্য মুক্তিযোদ্ধা মো. আসাদউল্লাহসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং মসজিদ পরিচালনা কমিটির সদস্য ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা টাকা গণনার কাজ তদারকি করেন।
টাকা গণনা কার্যক্রম তদারকির দায়িত্বে থাকা জ্যেষ্ঠ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবু তাহের মো. সাঈদ বলেন, সকালে সবার উপস্থিতিতে পাঁচটি দান বাক্স খোলা হয়। সোয়া কোটি টাকা ছাড়াও বেশ কিছু স্বর্ণালঙ্কার ও বৈদেশিক মুদ্রা পাওয়া গেছে। নিরাপত্তা প্রহরী কর্মীদের দ্বারা টাকাগুলো রূপালী ব্যাংকে জমা রাখা হয়েছে।
মসজিদ কমিটি সূত্র জানায়, শহরের গাইটাল এলাকার নরসুন্দা নদীর তীরে অবস্থিত এই মসজিদের দান বাক্স খুলে প্রতিবারই কোটি টাকার ওপরে পাওয়া যায়। প্রতিদিন জেলার বাসিন্দারা ছাড়াও দূর-দূরান্ত থেকে অসংখ্য মানুষ মসজিদের দান বাক্সগুলোয় অর্থ ছাড়াও স্বর্ণালঙ্কারসহ বিভিন্ন ধরনের জিনিসপত্র দান করেন।
সর্বশেষ গত ৭ জুলাই মসজিদের পাঁচটি দান বাক্স খোলা হয়েছিল। তখন মাত্র দুই মাসে ৮৮ লাখ টাকা পাওয়া যায়। এর আগের বার তিন মাসে এক কোটিরও বেশি টাকা পাওয়া যায়।