

খোন্দকার জিল্লুর রহমান
তোমার বুকের জমিনে অবাধে চলার স্থান করে দিও
অপরিমিত ভালোবাসায় জীবনটাকে সিক্ত করে নিও,
স্নেহ মমতায় হাতছানি দিয়ে তোমার শক্ত হাতে ধরা
ভালোবাসার বিষালতায় নিজেকে একান্তে আপন করা।
হাতে হাত রেখে জীবন চলার পথে শুন্য বসবাস
নিজেকে করে রাখে অতৃপ্ত যন্ত্রনার স্থায়ী কারাবাস,
ঘুরপাক খেয়ে জীবন সায়াহ্নে যখন একাকী দীর্ঘশ্বাস
পারবেনা নিতে তৃপ্ততার মাঝে কখনো সস্থির নিশ্বাস।
অধরা জীবনের অধরা পথ চলায় সীমাহীন পথ পাড়ি
থেমে থাকেনা কাহারো অপেক্ষায় সুখি জীবনের গাড়ি,
ভেবেছোকি কোনদিন দাঁড়িয়ে একবার দক্ষিনা বাতায়নে
জীবন ক্রান্তিলগ্নে কোথাপাবে আশ্রয় খুঁজেছো কি মনে মনে।
তোমার বক্ষাবৃত সাধনার ফসল জমিয়ে রেখে বল কি লাভ
একদিন তা নিবৃত অন্ধকারে হবে পোকা মাকড়ে সয়লাভ,
শতত সাধনার অপলক নয়নে গভীর আকাঙ্খার ভালোবাসা
নি:স্ফল হয়ে পড়ে রবে সবকিছু নি:স্প্রান দেহের দুরাশা।
সময়ের অপেক্ষা জীবনের অপেক্ষা বসে থাকেনা কারো জন্য
হারায়ে অবিচল বিফলে কর্মফল দেহ হয়েযাবে যখন প্রান শুন্য,
সময়ের কাজ সময়ে করে সৃষ্টি সুখের উল্লাসে মেতে হও ধন্য
দিন-কাল কখনো অপেক্ষা করেনা সুপরিকল্পিত সুসময়ের জন্য।
তোমার গোপন বাতায়নে রাখো একক চলাচলের অধিকার
বঞ্চিত হয়োনা বঞ্চিত করোনা উৎফুল্য জীবনে বেঁচে থাকার,
একাকীত্ব নিয়ে জীবন সাজালেও থাকে লোক লজ্জার ভয়
স্বার্থকতার সুখ কষ্টের হলেও তাতে থাকেনা কোন পরাজয়।












