শিরোনাম : “নিশিথের বিষন্নতা”(দুষ্টি কলম)


কলমে : খোন্দকার জিল্লুর রহমান-

বিষন্নতার মাঝে অতৃপ্ত হৃদয়ে আজো নিশিথের পথ চলা
হাত দুটো তার পাই না খুজেঁ আর মনের জমানো কথাবলা,
শিয়রে দাঁড়িয়ে জড়ায়ে ধরিয়ে একান্তে নিবিড় আলিঙ্গন,
হয়নাকো আর মৃদু সুরে কথা বহুদিন কানে কানে দু-জনে সর্বক্ষন।

চুপিসারে এসে গভীর ভালোবেসে আদর জুটেনা কপালে
একা একা তাই নিজেকে সাজাই জানি পাবোনা তোমাকে কোনকালে
বিমুর্ত রাত কেটে যায় শুধু আর্তনাদের বাণী শুনে শুণে
এর-ই মাঝে তাই নিজেকে হারাই নিবৃত জীবনের অংক গুনে গুনে।

রঙ্গিন চাদরের ভাঁজগুলো আর হয়না কুন্ডুলি পাকানো
সকালে উঠিয়ে দেখেছি তাকিয়ে বিছানাটা রয়েছে পুরুপুরি সাজানো,
হাহাকার করে নিঃশব্দ চিৎকারে হৃদয় ফাটানো আওয়াজ
নেই কেউ আর ডেকে পাঠাবার মসজিদে গিয়ে পড়তে ভোরের নামাজ।

এখন আর কেউ দাঁড়িয়ে থাকেনা খাবার টেবিলের পাশে
হাসিটুকু তার দেখিনাকো আর খাবার খেতে হয় একা একা দীর্ঘশ্বাসে,
অমৃত স্বাদের রান্না করা খাবার রসনায় জুটেনা বহু দিন
মন যে মানে না কি করে কাটাই জীবনের ক্রান্তিকালে হারানো সঙ্গিবিহীন।

শুন্যতা ছাড়া পুর্ণতায় কখনো যায়না পাওয়া জীবনের স্বাদ
হাসি ব্যাথা টুকু ভাগা ভাগি করে উপসম করার আছে যতসব অপবাদ,
আজো আমি তাই খুজিঁ ফিরি হাই তোমার শরিরের গন্ধ
যেদিন মরে যাই বলেছি রাখিতে আমায় তোমার কবরে করে দরজা বন্ধ।