“পূজামণ্ডপে পবিত্র কোরআন রাখার ঘটনায় জড়িতরা রাজনৈতিক শকুন”-মুসলিম লীগ

নিজস্ব প্রতিবেদক :-
বাংলাদেশ মুসলিম লীগ সভাপতি এড. বদরুদ্দোজা সুজা, মহাসচিব কাজী আবুল খায়ের এক বিবৃতিতে কুমিল্লার নানুয়ারদিঘী পূজা মণ্ডপে মূর্তির কোলে পবিত্র কুরআন শরীফ রাখার ঘটনায় গভীর নিন্দা ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। নেতৃদ্বয় ঈশপের গল্পের আদলে বলেন, শকুন ছানা তার মায়ের কাছে মানুষের গোশত খাওয়ার আবদার করলে, শকুনি গরু ও শুকরের গোশত সংগ্রহ করে এবং মসজিদের সামনে শুকর আর মন্দিরের সামনে গরুর গোশত রেখে আসে। যা থেকে সৃষ্ট ধর্মীয় দাঙ্গায় অনেক মানুষ হতাহত হয় আর শকুনের দল আঁশ মিটিয়ে মানুষের গোশত খায়। কুমিল্লার পূজামণ্ডপে মূর্তির কোলে পবিত্র কুরআন শরীফ রাখার ঘটনার সাথে এরকম রাজনৈতিক শকুনরাই সম্পৃক্ত বলে সাধারণ মানুষ বিশ্বাস করে। ধর্মকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহারের অপ-চেষ্টাকারী এইধরনের শকুনদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনার জোর দাবী জানিয়েছেন বাংলাদেশ মুসলিম লীগ নেতৃবৃন্দ।

নেতৃদ্বয় আরো বলেন, পবিত্র কুরআন শরীফে “লাকুম দ্বীনুকুম ওয়ালিয়া দ্বীন” আয়াতের মাধ্যমে স্পষ্ট করে বলা আছে, “যার যার ধর্ম তার তার কাছে”। মুসলমানদের জন্য পবিত্র কুরআনের এই রকম বিভিন্ন নির্দেশনা, অপরদিকে অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের, ভিন্ন ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীলতাই মুসলমান সংখ্যাগুরু বাংলায় শত শত বছর ধরে ধর্মীয় সম্প্রীতির অক্ষুণ্ণতা ধারাবাহিকভাবে নিশ্চিত করেছে। অথচ ধর্মীয় সম্প্রীতির এই দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে মাঝেমাঝেই কিছু কুচক্রী মহলের তৎপরতা লক্ষণীয়। ধর্ম অবমাননার কঠোরতম শাস্তি বিধানের আইন এবং শাস্তি প্রদানের দৃষ্টান্তই এই কুচক্রী মহলকে নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম। নেতৃদ্বয় সরকারের নিকট অবিলম্বে এবিষয়ে আইন প্রণয়নের জোর দাবী জানান। সাধারণ মানুষকে ধর্মীয় মূল ধারার সাথে সম্পর্কহীন এই রকম পরিকল্পিত কুৎসিত ঘটনায় উৎকণ্ঠিত না হয়ে সংযত থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, আবেগ তাড়িত হয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি, ধর্মীয় উপাসনালয়ে হামলার মত ঘটনা আমাদের অজান্তেই কুচক্রী মহলকে তাদের পরিকল্পনা ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে সফল করে তুলবে।