খেলাধুলা শিশুকে সুখি ও কর্মঠ করে

অর্থনীতির ৩০ দিন ডেস্ক :
শিশুর বিকাশে খেলাধুলার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে ৮ বছরের বেশি যাদের বয়স তাদের ক্ষেত্রে অত্যাবশ্যক। এ বিষয়ে শিশুবিকাশ বিষয়ক বিশেষজ্ঞ জিনিয়া জেসমিন করিম বলেন, শিশু খেলাধুলায় যুক্ত থাকলে তার কগনিটিভ, শারীরিক, মানসিক, সামাজিক, আবেগীয় ও সৃষ্টিশীলতা সবকিছুর জন্য ভালো একটা বিকাশ সাধন করে। মূল কথা বলা যায় খেলাধুলা শিশুকে সুখি ও কর্মঠ করে। সূত্র : ডিবিসি নিউজ।
জিনিয়া জেসমিন করিম বলেন, শিশুকে যে কোন একটি খেলায় যুক্ত করেন যেমন, ফুটবল, ক্রিকেট, বাসকেটবল, সে যখন এটি খেলবে তখন শিশুদের শরীরের মাথা থেকে পা পর্যন্ত প্রত্যেকটি বডিপার্টস এর ব্যবহার হচ্ছে। শিশুরা আসলে এই মুভমেন্টস গুলো পছন্দ করে। ডা. মারিয়া মন্টোসারি উদ্ভাবিত মন্টেসারি মেথোডের কথা উল্লেখ করে বলেন, একেবারে ছোটবেলা থেকেই শিশুর বিকাশের জন্য খেলাধুলার উপর জোর দেন, তার মডেলের মধ্যে পাঁচটি বিষয় উল্লেখ আছে, সেগুলো হলো খেলাধুলা, সামাজিকতা, ভাষা, কগনিটি, সংস্কৃতি ও গণিত।
শিশুরা যদি বয়ঃসন্ধিতে কোন খেলায় যুক্ত হয় তাদের বডি মুভমেন্টে একটি গতি পায়, এতে তাদের মাণুষিক ও ব্রেইন ডেভেলপমেন্টকে সাহায্য করে। তিনি ইনডোরে শিশুদের কাউন্টেবল গণনা গেমগুলো বেশি খেলতে বলেছেন। এতে তাদের গণিতে ভালো করার সম্ভাবনা বেশি থাকে। তাদের পড়ালেখাসহ সকল কাজে বেশি মনোযোগ দিতে পারে। তিনি তার অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে বলেন, যে সকল শিশুরা খেলাধুলায় যুক্ত থাকে তাদের আত্মবিশ্বাসের লেভেল বেড়ে যায়, সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা বেড়ে যায়, টিমওয়ার্ক করতে শেখে, পজিটিভ মাইন্ডের হয়ে থাকে। পিতামাতাদের প্রতি তার আহ্বান, তারা যেন বাচ্চাদের খেলাধুলার প্রতি মনোযোগ দেন তাতে শিশুর পড়ালেখার উন্নতি অবসম্ভাবি।