
খোন্দকার জিল্লুর রহমান :
তুমি কি এক গু”ছ রজনীগন্ধা
বাতাসে সুভ্রতা দিয়েছ ঢেলে,
আমায় করেছ যে উন্মনা
হৃদয়ে ভালবাসার ডানা মেলে।
এ কোন মাধুরি দিয়ে আমায় তুমি
রেখেছ আড়ালে আগঢালে,
হৃদয়ের মনিকোঠা থেকে
হারিয়ে যেতে দাওনি কোন কালে।
ভোরের সূর্য্যরে দিকে না তাকিয়ে
তাকিয়েছ সারাক্ষন আমার দিকে,
নিজেকে উজাড় করে দিয়ে
চলে গেছ বহুদুর দুর্বিপাকে।
কাউকে কখনো করনি ঘৃনা
নিজের মনেরই অজান্তে,
অপরিমিত ভালবাসা দিয়ে তোমার
চেয়েছ সবকিছু আপন করে নিতে।
ছিলে তুমি সবুজ ঘাসের মাথায়
কুয়াশার এক ফোটা শিশির বিন্ধু,
আলোক বিচ্ছুরন করেছ এতই
যাহা পারেনাই বিশাল নদ, সিন্ধু।
সুখ দু:খ পেরিয়ে জীবনে যখন
নেমে এসেছে তোমার বিদায়ী সন্ধ্যা।
যাওয়ার সময় আমার জন্য তুমি
রেখেছ দুই ষ্টিক ফুটন্ত রজনীগন্ধা।
বিদায় নেয়ার পুর্বেই তোমার সব
রিক্ত হস্তে করে গেলে দান
আমার মনের গভিরে তোমার স্মৃতি
থাকবে হয়ে চির অম্লান।











