

অর্থনীতির ৩০ দিন ডেস্ক :
চার অভিযোগে গ্রামীণ টেলিকমের পরিচালনা পর্ষদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গ্রামীণ টেলিকমের পরিচালনা পর্ষদের বিরুদ্ধে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদফতরের দেয়া অভিযোগে প্রেক্ষিত্রে দুদক এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার দুদক সূত্রে এ তথ্য জানা গিয়েছে।
দুদক বলছে, সম্প্রতি শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের গ্রামীণ টেলিকম কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের বিরুদ্ধে কিছু অভিযোগ সংবলিত একটি প্রতিবেদন দুদকে জমা দিয়েছেন। অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে—অনিয়মের মাধ্যমে শ্রমিক-কর্মচারীদের মধ্যে বণ্টনের জন্য সংরক্ষিত লভ্যাংশের ৫ শতাংশ অর্থ লোপাট, শ্রমিক-কর্মচারীদের পাওনা পরিশোধকালে
অবৈধভাবে অ্যাডভোকেট ফি ও অন্যান্য ফির নামে ৬ শতাংশ অর্থ কর্তন, শ্রমিক-কর্মচারীদের কল্যাণ তহবিলে বরাদ্দকৃত সুদসহ ৪৫ কোটি ৫২ লাখ ১৩ হাজার ৬৪৩ টাকা বিতরণ না করে আত্মসাৎ এবং কোম্পানি থেকে ২ হাজার ৯৭৭ কোটি টাকা মানি লন্ডারিংয়ের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে স্থানান্তরের মাধ্যমে আত্মসাৎ।
এ বিষয়ে সংস্থাটির সচিব মো, মাহবুব হোসেন অভিযোগ সম্বলিত প্রতিবেদন কমিশন পর্যালোচনা করে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। অনুসন্ধান শুরু হলে জানতে পারবেন এর সাথে কে কে সম্পৃক্ত।পরিচালনা পর্ষদের সবার কাছে থেকে অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা তথ্য নেবেন। যে বিধিবিধান রয়েছে সে মোতাবেক অনুসন্ধান কর্মকর্তা পদক্ষেপ নেবেন।










