
অর্থনীতির ৩০ দিন ডেস্ক :
আনুষ্ঠানিক যাত্রার দুই দশক পূর্ণ করেছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে অর্থ পাচার প্রতিরোধ ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন বন্ধে কাজ করে যাচ্ছে দেশের আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থাটি। বর্তমানে সংস্থাটির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন মো. মাসুদ বিশ্বাস। দীর্ঘ পথযাত্রায় বিএফআইইউর অর্জন, সাফল্য, ব্যর্থতা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে সম্প্রতি তিনি কথা বলেছেন।
বিএফআইইউ প্রতিষ্ঠার প্রেক্ষাপট।
মানি লন্ডারিং বা অর্থ পাচার এবং সন্ত্রাসে অর্থায়ন একটি বৈশ্বিক সমস্যা। সব দেশ ও জাতি এ অপরাধের শিকার। বিশ্বব্যাপী অর্থ পাচারের ইতিহাস অনেক পুরনো হলেও এটি প্রতিরোধের প্রথম আনুষ্ঠানিক পদক্ষেপ নেয়া হয় গত শতকের শেষদিকে। জি২০ভুক্ত দেশগুলো ১৯৮৯ সালে অর্থ পাচার ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে আন্তর্জাতিক নীতিনির্ধারণী প্রতিষ্ঠান ফাইন্যান্সিয়াল টাস্কফোর্স (এফএটিএফ) প্রতিষ্ঠা করে। বাংলাদেশ এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে এফএটিএফের সুপারিশগুলো বাস্তবায়নকারী সংস্থা এশিয়া প্যাসিফিক গ্রুপ অন মানি লন্ডারিংয়ের (এপিজি) প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য। কিন্তু ২০০২ সালের আগ পর্যন্ত অর্থ পাচার প্রতিরোধে আমাদের আলাদা কোনো আইন বা প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো ছিল না। ২০০১ সালে যুক্তরাষ্ট্রে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা বিশ্বব্যাপী অর্থ পাচার ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ ব্যবস্থার প্রেক্ষাপট পাল্টে দেয়।
সে প্রেক্ষাপটে ২০০২ সালে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে প্রথম বাংলাদেশে অর্থ পাচার প্রতিরোধ আইন প্রণয়ন করা হয়। ওই বছরই মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ বিভাগ নামে একটি আলাদা বিভাগ প্রতিষ্ঠা করে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ বিভাগটিই পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটে (বিএফআইইউ) রূপান্তরিত হয়। বর্তমানে বিএফআইইউ সরকারের একটি স্বতন্ত্র সংস্থা হিসেবে মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে ভূমিকা পালন করছে।
বিএফআইইউর কাজের ধরন
গতানুগতিক গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর তুলনায় বিএফআইইউর কাজের ধরন অনেকটাই ভিন্ন। কাজের ক্ষেত্রে আমরা অর্থসংশ্লিষ্ট অপরাধগুলোর নিয়ন্ত্রণকে প্রাধান্য দিই। মাদক চোরাচালান, নারী ও শিশু পাচার, অস্ত্র বা অন্য কোনো মূল্যবান দ্রব্যের চোরাচালান, মানব পাচার, ঘুস ও দুর্নীতির মূল উদ্দেশ্যই থাকে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়া। এসব অপরাধ সংঘটনের জন্য ক্ষমতারও দরকার হয়। অন্যদিকে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এ ধরনের অপরাধীদের হাতেনাতে ধরা যায় না। ফলে অপরাধের মূল হোতারা সবসময় ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যায়। তবে অপরাধের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অর্থের গতিপথ (মানি ট্রেইল) অনুসরণ করলে এসব অপরাধীদের ধরা সম্ভব। এক্ষেত্রে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ ব্যবস্থা গতানুগতিক অপরাধ তদন্তের তুলনায় বেশি কার্যকর।
একটি দেশে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধের গুরুত্ব কতটুকু
কোন একটি দেশের অর্থনৈতিক ভিত ভঙ্গুর হয়ে যাওয়ার জন্য মানি লন্ডারিংই যথেষ্ট। বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলো বহু আগে থেকেই এ রোগে ভুগছে। শুধু অর্থনৈতিক নয়, এসব অপরাধ সামাজিক মূল ভিত্তিও নষ্ট করে দেয়। অপরাধীদের উপার্জিত কালো টাকা আর্থিক খাতে প্রবেশ করিয়ে বৈধ করার সুযোগ থাকলে অপরাধ উৎসাহিত হয়। অবৈধ অর্থ আর্থিক খাতে বেড়ে গেলে অপরাধীরা পুরো আর্থিক খাত নিয়ন্ত্রণ করে। কখনো কখনো এ ধরনের অপরাধীরা আর্থিক খাতকে অস্থিতিশীলও করে তুলতে পারে। যেটি আমরা ২০০৮ সালে বিশ্ব অর্থনীতির সংকটকালে দেখেছি। বিএফআইইউর প্রথম লক্ষ্য হলো, আর্থিক অপরাধগুলোর অর্থপ্রবাহের পথ বন্ধ করে দেয়া। এ ধরনের অপরাধকে অলাভজনক করতে পারলে তা কমে আসে।
বাংলাদেশ ২০১৬ সালে এপিজির মিউচুয়াল ইভ্যালুয়েশনে কমপ্লায়েন্ট দেশ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। কোন কোন পদক্ষেপের কারণে এটি অর্জন করা সম্ভব হয়েছে
দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশই প্রথম মানি লন্ডারিং প্রতিরোধে আইন প্রণয়ন করেছিল। তবে প্রণীত আইনটি জাতিসংঘের কনভেনশনগুলোর বাধ্যবাধকতা ও এফএটিএফ মানদণ্ড পূরণ করতে না পারায় বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ কর্তৃক যৌথভাবে সম্পাদিত ইভ্যালুয়েশনে বাংলাদেশ সব ক্যাটাগরিতেই নন-কমপ্লায়েন্ট হিসেবে বিবেচিত হয়। পরবর্তী সময়ে আইন সংশোধন করে মানি লন্ডারিংয়ের তদন্তভার বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিবর্তে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) ওপর ন্যস্ত করাসহ ব্যাংকগুলোর জন্য মানি লন্ডারিং ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা গাইডলাইনস ও বিভিন্ন নির্দেশনা জারি করা হয়। কিন্তু এর পরও ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে এফএটিএফের আইসিআরজির ধূসর তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। এটি বাংলাদেশের অর্থনীতির পাশাপাশি আর্থিক খাতের জন্যও খারাপ বার্তা নিয়ে আসে। এখান থেকে বের হয়ে আসা ছিল খুবই চ্যালেঞ্জিং। তবে সরকারের সদিচ্ছা ও অভীষ্টমুখী লক্ষ্য এবং তা বাস্তবায়নে দৃঢ় পদক্ষেপের ফলে বাংলাদেশ ২০১৪ সালে ঝুঁকিপূর্ণ দেশের তালিকা থেকে বের হয়ে আসতে সমর্থ হয়েছে। এক্ষেত্রে সরকারের সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ব্যাংক ও বিএফআইইউর সমন্বিত উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
অর্থ পাচার ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে গত দুই দশকে বিএফআইইউ সফলতা
একটি গোয়েন্দা সংস্থার সফলতা পরিমাপ করা দুরূহ। কারণ এর কার্যক্রম গোপন রেখে লক্ষ্য অর্জনে কাজ করে যেতে হয়। ঘটনা ঘটে যাওয়ার পর ব্যবস্থা নেয়ার বিষয়টি মূল্যায়নের সুযোগ থাকে না। কিন্তু অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড ঘটে যাওয়ার আগে তা বিঘ্নিত করা বা থামিয়ে দেয়ার কাজ কোনোদিন জনসম্মুখে আসে না বা আনা উচিতও নয়। বিএফআইইউ আর্থিক খাতের গোয়েন্দা সংস্থা হিসেবে তা মেনে চলার চেষ্টা করে। তবে গতানুগতিক গোয়েন্দা সংস্থা থেকে বিএফআইইউর ওপর আরো কিছু অতিরিক্ত দায়িত্ব অর্পিত হয়েছে। যেমন—রেগুলেশন, সুপারভিশন, আন্তর্জাতিক যোগাযোগ, সমন্বয় ও সহায়তা। এ বিষয়ে সাফল্য মূল্যায়ন করা যায়। এ বিষয়গুলো বিএফআইইউ তার বার্ষিক প্রতিবেদনে উপস্থাপন করে থাকে।
প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই বিএফআইইউ মানি লন্ডারিং, সন্ত্রাসে অর্থায়নসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য অপরাধ প্রতিরোধের মাধ্যমে বাংলাদেশকে একটি শক্তিশালী অর্থনীতির দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে। ২০১৬ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত এফএটিএফের রিপোর্টে মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে বিভিন্ন মানদণ্ডে বাংলাদেশের উন্নতির ধারা দেখলে বিএফআইইউর সফলতার পরিধি স্পষ্ট বোঝা যায়। মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসী কার্যে অর্থায়ন প্রতিরোধে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের বিপরীতে বাংলাদেশের সাফল্য বিস্ময়কর হওয়ায় এপিজির সর্বশেষ মিউচুয়াল ইভ্যালুয়েশনে বিএফআইউকে ‘দ্য স্ট্রংগেস্ট বিল্ডিং ব্লক অব বাংলাদেশ এএমএল/সিএফটি রেজিম’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বেশ প্রশংসাও কুড়িয়েছে। বিএফআইইউ এখন দক্ষিণ এশিয়ার দেশ মালদ্বীপ, নেপাল ও শ্রীলংকার মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ ব্যবস্থার উন্নয়নে কারিগরি সহায়তা প্রদান করছে। ২০১৩ সালে বিএফআইইউ বিশ্বের ১৬৭টি দেশের ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটগুলোর আন্তর্জাতিক সংগঠন এগমন্ট গ্রুপের সদস্যপদ লাভ করে। ওই সময় থেকেই এগমন্ট সিকিউর ওয়েবের মাধ্যমে সদস্য এফআইইউগুলোর সঙ্গে মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসী কার্যে অর্থায়নবিষয়ক তথ্য বিনিময় করছে। এছাড়া বিএফআইইউ ৭৮টি দেশের আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে। এর ফলে বিএফআইইউর মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসী কার্যে অর্থায়ন বিষয়ে তথ্য বিনিময় সহজ হয়েছে।
দেশে ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ক্যাপিটাল মার্কেট ইন্টারমিডিয়ারিজ, এনজিও, বীমা প্রতিষ্ঠানসহ বর্তমানে মোট ১৭ ধরনের আর্থিক খাত বিএফআইইউর রিপোর্ট প্রদানকারী সংস্থা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত। তদন্তকারী সংস্থাগুলোর কাছে বিগত বছরগুলোতে গোয়েন্দা প্রতিবেদন প্রেরণের হার ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। ২০২০-২১ অর্থবছরে বিএফআইইউ বিভিন্ন তদন্তকারী, আইন-শৃঙ্খলা ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সঙ্গে ১ হাজার ৪৮১টি গোয়েন্দা প্রতিবেদন বা আর্থিক তথ্য বিনিময় করে, যা আগের বছর ছিল ৯০৩টি। এক্ষেত্রে আমি বলব বিএফআইইউ তার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য অর্জনে সঠিক পথেই এগোচ্ছে।
গত পাঁচ বছরে মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়নসংশ্লিষ্ট ১ হাজার ৩৯টি গোয়েন্দা প্রতিবেদন সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী সংস্থাগুলোতে প্রেরণ করেছে বিএফআইইউ। পাঠানো প্রতিবেদনগুলোর সর্বশেষ পরিস্থিতি
সংরক্ষিত তথ্য অনুযায়ী, উল্লেখযোগ্যসংখ্যক মামলা তদন্তকারী সংস্থায় তদন্ত ও অনুসন্ধান পর্যায়ে রয়েছে। বেশকিছু মামলায় আদালতে চূড়ান্ত চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে। সবচেয়ে সুখের খবর হলো বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মামলায় আদালত থেকে শাস্তিমূলক রায় দেয়া হয়েছে। এ ধরনের অনেক মামলার খবরই বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হচ্ছে নিয়মিত।
বহুল আলোচিত হলমার্ক, ডেসটিনি, বিসমিল্লাহ গ্রুপ থেকে সাম্প্রতিক সময়ে ই-কমার্স স্ক্যান্ডাল, পিকে হালদার থেকে শুরু করে গোল্ডেন মনিরের মতো মামলাগুলো বিএফআইইউ ও বাংলাদেশ ব্যাংকের তদন্তেই উন্মোচিত হয়েছে। বিএফআইইউর পরিদর্শনে বা অন্য কোনো মাধ্যম থেকে এ ধরনের ঘটনার তথ্য প্রাপ্তির পর পরই তা দ্রুততার সঙ্গে গোয়েন্দা প্রতিবেদন আকারে সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী সংস্থায় প্রেরণ করা হচ্ছে।
গ্লোবাল ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটির (জিএফআই) সাম্প্রতিক এক সমীক্ষার রিপোর্ট অনুযায়ী বাংলাদেশ থেকে প্রতি বছর প্রায় ৮ দশমিক ২৭ বিলিয়ন ডলার পাচার হচ্ছে। এক্ষেত্রে মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে আমদানি-রফতানি বাণিজ্যে ঘোষিত মিথ্যা চালান তথা ট্রেড বেজড মানি লন্ডারিং। এটি রোধে আপনাদের পদক্ষেপ সম্পর্কে বলেন জিএফআই একটি গবেষণা সংস্থা। তারা দুটি মেথডোলজি ব্যবহার করে উন্নয়নশীল দেশ থেকে উন্নত দেশে কী পরিমাণ অর্থ বা সম্পদ পাচার হয় তার প্রাক্কলন করে থাকে। তাদের রিপোর্ট থেকে দেখা যায়, আইএমএফের ডাটা সোর্স ব্যবহার করে যে প্রাক্কলন করা হয়েছে, তাতে বাংলাদেশ থেকে বিদেশে অর্থ পাচার হয়। অপরদিকে একই রিপোর্টে জাতিসংঘের ডাটা সোর্স ব্যবহার করে দেখাচ্ছে উল্টো চিত্র। একই সালে বাংলাদেশে অতিরিক্ত ১ দশমিক ১ মিলিয়ন ডলার আসছে বলা হচ্ছে। সংস্থাটি তাদের ব্যবহূত মেথডোলজি একেবারে সঠিক, সেটি মনে করে না।
তবে এটি সত্য, বাংলাদেশ থেকে পাচারকৃত অর্থের একটি সিংহভাগ অংশ সম্পাদিত হয় বাণিজ্যভিত্তিক মানি লন্ডারিংয়ের মাধ্যমে। এটি প্রতিরোধে ব্যাংকগুলোকে আরো সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের পরামর্শসহ বিএফআইইউ ‘ট্রেড বেজড মানি লন্ডারিং নীতিমালা’ জারি করেছে। ব্যাংকারদের নিয়মিত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংক ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সহযোগিতায় এ ধরনের মনিটরিং আরো জোরদার ও ডিজিটালাইজড করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
বাংলাদেশ থেকে কী পরিমাণ অর্থ পাচার হয়ে গেছে, সে বিষয়ে সরকার বা বিএফআইইউর কাছে আর্থিক অপরাধের অর্থপ্রবাহের পথ রুদ্ধ করে দিচ্ছে বিএফআইইউ
সুত্র : বনিকবার্তা










