এক্সিম ব্যাংকের এমডি ডঃ মোহাম্মদ হায়দার আলী মিয়ার উপর বর্বরোচিত হামলার নিন্দা ও প্রতিবাদ

অর্থনীতির ৩০ দিন ডেস্ক :
বাংলাদেশের ব্যাংকিং সেক্টরের একজন উজ্জ্বল নক্ষত্র, এক্সিম ব্যাংকের সম্মানিত এমডি ডঃ মোহাম্মদ হায়দার আলী মিয়ার উপর এমন বর্বরোচিত হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ। একই সাথে অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি।
এক্সিম ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ হায়দার আলী মিয়া ঋণের জন্য বন্ধকি সম্পত্তির মূল্য বেশি দেখাতে রাজি না হওয়ায় এক্সিম ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ হায়দার আলী মিয়া ও অতিরিক্ত এমডি মোহাম্মদ ফিরোজ হোসেনকে গুলি করে হত্যার চেষ্টা করেন সিকদার গ্রুপের দুই পরিচালক। শুধু তাই নয়, তাঁরা পদস্থ দুই ব্যাংক কর্মকর্তাকে বনানীর একটি বাসায় জোর করে আটক রেখে নির্যাতন করেন এবং সাদা কাগজে সই নেন। গুলশান থানায় এক্সিম ব্যাংক কর্তৃপক্ষের দায়ের করা মামলায় এই অভিযোগ করা হয়েছে।
যাদের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ তাঁরা হলেন সিকদার গ্রুপের মালিক জয়নুল হক সিকদারের ছেলে এবং গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) রন হক সিকদার ও তাঁর ভাই দিপু হক সিকদার। মামলা দায়ের পর থেকে দুই ভাই পলাতক আছেন।
মামলার ব্যাপারে জানতে চাইলে গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামান বলেন, বাদীর লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর মামলা নেওয়া হয়েছে। এই মামলার দুই আসামি পলাতক আছেন। তাঁদের পেলেই গ্রেপ্তার করা হবে।
মামলার বিবরণে উল্লেখ করা হয়েছে, ঘটনাটি ঘটেছে গত ৭ মে আর এক্সিম ব্যাংক মামলা করেছে ১৯ মে। পুরো ঘটনাটি ৫০০ কোটি টাকা ঋণ প্রস্তাব নিয়ে। এই ঋণের বিপরীতে বন্ধকি সম্পত্তি পরিদর্শনের নামে এক্সিম ব্যাংকের দুই কর্মকর্তাকে ডেকে আনা হয়েছিল। এ সময় জামানত হিসেবে ওই সম্পত্তির বন্ধকি মূল্য কম উল্লেখ করেন ব্যাংকটির এমডি ও অতিরিক্ত এমডি। এরপরেই গুলি ও মারধরের ঘটনা ঘটে। রন হক সিকদার ও দিপু হক সিকদার ব্যাংকটির এমডির কাছে একটি সাদা কাগজে জোর করে সাক্ষর নেন। সিকদার গ্রুপের চেয়ারম্যান জয়নুল হক সিকদারের সঙ্গে তাঁর ছবিও তোলা হয়।”
বর্তমানে দুজনই দেশের বাইরে চলে গেলেন, কিন্তু তারা কিভাবে এবং কাদের সহযোগিতায় দেশের বাইরে চলে গেলেন ব্যাংকিং সেক্টর তা জানতে চায়!.. ।
সূত্রঃ প্রথম আলো