“তোমাকে নিয়ে….”।


(আমার স্নেহের ছোট ভাই এডভোকেট সৈয়দ মাজহারুল হককে)

খোন্দকার জিল্লুর রহমান :-
কি কবিতা লিখব তোমাকে নিয়ে
আসলে তুমি আমার লিখা কখনো কি পড়,
নির্ভয় চিত্তে পারিনা,যে দু-কলম লিখতে
ভুল হলে আমাকে যদি গলা চিপে ধর।
জান (জীবন) তো আমার আছে শুধু একটা
বেরিয়ে যদি যায় পড়ে থাকবে মৃত দেহটা।
লিখার যোগ্যতা আমার একে বারেই নাই
কাগজ কলম নিয়ে খেলাধুলা করি সর্বদাই।
ডাক-নামে পরিচিত আমি নাম-ডাকে নয়
সহজে কি লোক সমাজে থাকে পরিচয়?
হাঁক-ঢাক দেখে সকলের মনে হয়
আমি কত বড় শিক্ষিত আমলা,
ভীত থাকি সব সময় এই বলে
দিবে না তো আমার নামে কোন মামলা।
শুন্য কলসি আমার কথা বড় বড়
কখন কি বিপদ হয় ভয়ে থাকি জড়সড়
চোখের অর্ধেকে চশমা দিয়ে সেজেছি পন্ডিত
কিছু জানতে চাইলে থাকেনাকো কোন বাত-চিত
তোমাদের নিয়ে বাল্য বয়সে খেলেছি যে কত খেলা
স্মৃতিগুলি সব স্বপ্নিল আবেসে মনে জাগে সারাবেলা।
কুয়াশা ভোরে ফুফুর বানানো শীতের পিঠাগুলি এখনো
রান্নাঘরে বসে বসে তোমরাই খাও একা একা,
অনেক দিনের ইচ্ছা নিয়েও সময় আর কাজের ফাকে
পারিনি গিয়ে করতে ফুফা-ফুফুর সাথে দেখা।
মন থেকে পারিনা ভুলতে কখনো তোমাদেরই নাম
ভুলতে চাইলেই মনে আরো বেশি জেগে উঠে অবিরাম।
সমাজে তোমরা এখন আছ একদম স্বচ্ছ পরিপাটি,
তোমাদের নিয়ে বহুদিন ধরে হয়না ধুলোয় লুটুপুটি।
মুকুট বীহিন রাজা আমি রাজ্যটা মোর ফাঁকা
শত চেষ্টা করেও কেন যেন পাইনা সঙ্গীর দেখা
এ রুমে ও রুমে সারারাত একাকি করি হাটাহাটি
বউএর সাথে বহুদিন ধরে আর হয়নাকো খুনশুটি।
সবকিছু হারিয়ে একা পথ চলা নয়কো অত সোজা
তাই নিজের হাতে তুলে নিলাম নিজের যত বোঝা।
তোমার আশিষটুকু আমার জন্য যেন হয় যে স্বরনিয়
প্রার্থনা করি, তোমার মত জীবনে কোনদিন যদি
হতে পারি ব র নি য়।
——————–