অর্থনীতির ৩০ দিন প্রতিবেদক :
ব্যাংক খাতের কোম্পানি এক্সিম ব্যাংক লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ ৬০০ কোটি টাকার মুদারাবা সাবঅর্ডিনেটেড বন্ড ইস্যুর সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
জানা গেছে, প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে সাত বছরের জন্য বন্ডটি ইস্যু করা হবে। টায়ার-টু মূলধনের শর্ত পূরণের জন্য এই বন্ড ইস্যু করবে এক্সিম ব্যাংক। তবে নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর অনুমোদন এবং অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার পর এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে।
এদিকে গত সপ্তাহের শেষদিনে এক্সিম ব্যাংক চলতি আর্থিক বছরে প্রথম প্রান্তিকের (জানুয়ারি-মার্চ) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এ সময়ে কোম্পানির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৩৪ পয়সা। এর আগের বছর একই সময়ে লোকসান ছিল ৫৩ পয়সা। অর্থাৎ শেয়ারপ্রতি লোকসান কমেছে ১৯ পয়সা। ৩১ মার্চ, ২০১৮ পর্যন্ত সমন্বিত শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ১৯ টাকা ২৪ পয়সা। যা ৩১ মার্চ, ২০১৭ পর্যন্ত ছিল ১৮ টাকা ২১ পয়সা।
এদিকে গত বৃহস্পতিবার কোম্পানিটির শেয়ার এক টাকা ৪০ পয়সা বা ৯ দশমিক ৬৬ শতাংশ কমে সর্বশেষ লেনদেন হয় ১৩ টাকা ১০ পয়সায়। লেনদেন শেষে সবশেষ দর দাঁড়ায় ১৩ টাকা ৩০ পয়সা। এদিন শেয়ারটির দর ১৪ টাকা ৩০ পয়সা থেকে ১৩ টাকা ১০ পয়সায় ওঠানামা করে। গত এক বছরে শেয়ারটির দর ১৯ টাকা ৩০ পয়সা থেকে ৯ টাকা ৯০ পয়সায় ওঠানামা করে। ওইদিন ব্যাংকটির ৪১ লাখ ৭৭ হাজার ১৯৯টি শেয়ার এক হাজার ৪৮ বার হাতবদল হয়, যার বাজারমূল্য পাঁচ কোটি ৬৯ লাখ টাকা।
কোম্পানিটি সবশেষ ২০১৬ সালে ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে। ২০১৫ সালে দেয় ১২ শতাংশ নগদ। ২০১৬ সালে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় হয় দুই টাকা ১৫ পয়সা ও শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য দাঁড়ায় ১৮ টাকা ৭৪ পয়সা। ওই বছর মুনাফা হয়েছে ৩০৩ কোটি ৯৭ লাখ টাকা। ২০১৭ সালের জন্য কোম্পানিটি ১২ দশমিক ৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৭ শেষে কোম্পানির সমন্বিত ইপিএস হয়েছে দুই টাকা ৩৪ পয়সা, শেয়ারপ্রতি সমন্বিত সম্পদমূল্য দাঁড়ায় ১৯ টাকা ৫৮ পয়সা। ঘোষিত লভ্যাংশ অনুমোদনের জন্য কোম্পানিটির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) মহাখালীর রাওয়া কনভেনশন হলে আগামী ২৭ জুন অনুষ্ঠিত হবে। এজন্য রেকর্ড ডেট আগামী ২২ মে।
দুই হাজার কোটি টাকা অনুমোদিত ও এক হাজার ৪১২ কোটি টাকা পরিশোধিত মূলধনের কোম্পানির মোট শেয়ারসংখ্যা ১৪১ কোটি ২২ লাখ ৫১ হাজার ৬৮টি। কোম্পানির রিজার্ভে আছে এক হাজার ২৩৪ কোটি ৫২ লাখ টাকা। ২০০৪ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংকটির মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে ৪১ দশমিক ৫৮ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১৮ দশমিক ১৬ শতাংশ, বিদেশি ৪ দশমিক ৩৪ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে ৩৫ দশমিক ৯২ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।










