বিআইএর নির্বাচনে পুরনো শকুনের আবির্ভাব (১ম পর্ব)

খোন্দকার জিল্লুর রহমান :
কর্তৃত্ত করতে কার ভালো না লাগে, এটা একটা সহজাত প্রকৃতি। কিন্তু সে কর্তৃত্ত যদি সমপোযোগী বা রাষ্ট্রীয় কল্যানে না এসে জনস্বার্থের বিরোধিতা সৃষ্টি করে ব্যক্তি, গোষ্টি, জাতি বা অন্যান্য কারো বিলুপ্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায় সেইসাথে কোন জাতি বা দেশের উন্নয়নের অন্তরায় হয়, তখন সেই কর্তৃত্ত করপোরেট লাইফ লিড করা বা জাতীয় এবং রাষ্ট্রীয় উন্নয়নে কাজ করা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের মাথা ব্যথার কারন হয়ে দাঁড়ায় তাহলে এর জন্য দ্বায়ী কে বা কারা একবারো কি ইন্স্যুরেন্স সেক্টরের দায়িত্তশীল বা কোম্পানিগুলির কোন বিশেষ কর্তাব্যক্তিগণ এই কথাটি ভেবেছেন?
দীর্ঘ চড়াই উৎরাই এবং ফ্যাসিবাদের করাল গ্রাস থেকে মুক্তির পর বীমা খাতের মুখ্য নির্বাহি কর্মকর্তা এবং বীমা কোম্পানীর পরিচালকদের মহা আনন্দঘন এবং উৎসবমুখর পরিবেশে প্রত্যয় ও মৌলিক উন্নয়নের মহাপরিকল্পনা নিয়ে আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিআইএ) ২০২৫-২০২৬ সালের নির্বাচন। এ উপলক্ষ্যে বিআইএ’র নির্বাহী কমিটি নির্বাচনের জন্যে গত ১৪ জানুয়ারি ২০২৪ মঙ্গলবার থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও জমাদান শুরু হয়ে ২১ জানুয়ারি ২০২৪ মঙ্গলবার ছিলো এর শেষ দিন। দিনশেষে নন লাইফ বীমা খাতের ২১ জন ও লাইফ বীমা খাতের ১৪ জনসহ মোট ৩৫ (পরিচালক ও মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা) মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন বলে সূত্রের খবরে জানা গেছে।
মনোনয়নপত্র সংগ্রহকারী নন-লাইফ বীমা কোম্পানির পরিচালকগন
নন-লাইফ বীমা কোম্পানিগুলোর পরিচালকদের মধ্যে থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন- সিটি ইন্স্যুরেন্সের চেয়ারম্যান হোসেইন আখতার, প্রভাতী ইন্স্যুরেন্সের চেয়ারম্যান মো. মফিজুর রহমান, গ্লোবাল ইন্স্যুরেন্সের চেয়ারম্যান সাঈয়্যেদ আহমেদ, অগ্রণী ইন্স্যুরেন্সের চেয়ারম্যান কাজী শাখাওয়াত হোসেইন লিন্টু, ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্সের চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ, প্রাইম ইন্স্যুরেন্সের চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেইন, কন্টিনেন্টাল ইন্স্যুরেন্সের ভাইস চেয়ারম্যান কে এম আলমগীর, ফেডারেল ইন্স্যুরেন্সের ইনভেস্টমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান জয়নুল আবেদীন জামাল, বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্সের পরিচালক তায়েফ বিন ইউসুফ, জনতা ইন্স্যুরেন্সের পরিচালক বেলাল আহমেদ এবং রূপালী ইন্স্যুরেন্সের পরিচালক মোস্থফা কামরুস সোবহান।
মনোনয়নপত্র সংগ্রহকারী নন-লাইফ বীমা কোম্পানির পরিচালকগন মুখ্য নির্বহী কর্মকর্তা
নন লাইফ বীমা কোম্পানির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তাদের মধ্যে থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন- বাংলাদেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্সের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা আহমেদ সাইফুদ্দীন চৌধুরী, এশিয়া ইন্স্যুরেন্সের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা ইমাম শাহীন, রিপাবলিক ইন্স্যুরেন্সের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা ড. এ কে এম সরোয়ার জাহান জামিল, গ্রীন ডেল্টা ইন্স্যুরেন্সের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা চৌধুরী, বাংলাদেশ কো-অপারেটিভ ইন্স্যুরেন্সের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নূর-ই-আলম সিদ্দিকী, ইস্টার্ন ইন্স্যুরেন্সের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান তারেক, স্ট্যান্ডার্ড ইন্স্যুরেন্সের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আব্দুল মতিন সরকার, কর্ণফুলী ইন্স্যুরেন্সের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা এএনএম ফজলুল করিম মুন্সি, ইসলামি কমার্শিয়াল ইন্স্যুরেন্সের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী মোকাররম দস্তগীর এবং সাউথ এশিয়া ইন্স্যুরেন্সের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ নুরুল আলম চৌধুরী ।

মনোনয়নপত্র সংগ্রহকারী লাইফ বীমা কোম্পানির পরিচালকগন
লাইফ বীমা কোম্পানিগুলোর পরিচালকদের মধ্যে থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন- সন্ধানী লাইফের চেয়ারম্যান মুজিবুল ইসলাম, ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম, বেঙ্গল ইসলামি লাইফের ভাইস চেয়ারম্যান আমিন হেলালী, প্রোগ্রেসিভ লাইফের ভাইস চেয়ারম্যান বজলুর রশীদ, ডেল্টা লাইফের পরিচালক আদিবা রহমান, এনআরবি ইসলামিক লাইফের পরিচালক আরিফ সিকদার এবং বেস্ট লাইফ ইন্স্যুরেন্সের পরিচালক সাঈদ বদরুল আলম।
মনোনয়নপত্র সংগ্রহকারী লাইফ বীমা কোম্পানির মুখ্য নির্বহী কর্মকর্তা
লাইফ বীমা কোম্পানির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তাদের মধ্যে থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন- পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্সের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা বি এম ইউসুফ আলী, ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্সের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কাজীম উদ্দিন, জেনিথ ইসলামি লাইফের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম নুরুজ্জামান, প্রগতি লাইফের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা জালালুল আজিম, চার্টার্ড লাইফের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা এসএম জিয়াউল হক, রূপালী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মো. গোলাম কিবরিয়া এবং ট্রাস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন।
সূত্রের খবরে জানা যায়, বিআইএ’র ৮০ জন সদস্যের ৭৬ জন নির্ধারিত ফি পরিশোধ সাপেক্ষে ভোটাধিকার প্রয়োগ করার সুযোগ পাচ্ছেন, বাকি চারটি বীমা কোম্পানি কেউ ভোটার হন নি।
মনোনয়নপত্র সংগ্রহকারী লাইফ এবং নন-লাইফ কোম্পানীর অনেক প্রভাবশালী পরিচালকদের নামের তালিকা দেখে খাত সংশ্লিষ্ট বীমা বিশেষজ্ঞরা অনেকে মন্তব্য করেন যে,দীর্ঘকালীন কুক্ষিগত করে রাখা ফ্যাসিশক্তির গ্রাস থেকে বাহ্যিকভাবে বীমাখাত সাময়ীক মুক্ত হতে দেখা গেলেও প্রকৃতভাবে বীমাখাত সেই পুরনো শকুনের প্রভাবিত দখলেই ঘুরেফিরে বন্দি হয়ে রয়েছে। এতে মনে মনে প্রশ্ন জাগে, বিআইএ’র এই ঘটা করা নির্বাচনের ফলাফল কি সেই “নতুন বোতলে পুরনো মদ?” তারা মুলত জানতে চান, প্রকৃতপক্ষে ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিগুলির অবিভাবক কে? আইডিআরএ না কি বিআইএ… যদি আইডিআরএ’ই হয়ে থাকে তাহলে বিআইএ’র মুল ভুমিকাইবা কি? আর যদি বিআইএ হয়ে থাকে তাহলে আইডিআরএ’র ভুমিকা কি তা প্রশ্নবিদ্ধ নয় কি?

এখানে যেটা বলতে হয় ইন্স্যুরেন্স ডেভেলপমেন্ট এন্ড রেগুলেটরি অথরিটির (আইডিআরএ) ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিগুলির উন্নয়নের জন্য কি কোন ভুমিকা পালন করেছেন নাকি বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিশেন (বিআইএ) কর্তৃপক্ষ হিসাবে কাজ করেন তা প্রশ্নবিদ্ধ? আইডিআরএ‘এ কর্তৃপক্ষ/ হিসেবে কাজ করেন ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিগুলির এবং ব্যাংকগুলির কর্তৃপক্ষ হিসেবে কাজ করেন বাংলাদেশ ব্যাংক। এখানে একটা বিষয় পরিলক্ষিত হয় যে, দেশের ব্যাংকগুলির অনেকগুলি মজবুত অ্যাসোসিয়েশন থাকা স্বত্বেও কেহই বাংলাদেশ ব্যাংকের উপর কোন কর্তৃত্ত খাটানোর সাহস করতে পারেন না। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশক্রমেই দেশের সবকটি ব্যাংক খুব সুন্দর ভাবেই চলছে, তাইলে আইডিআরএ’র দুর্বলতা কোথায়? কিন্তু ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিগুলির অভিভাবক হিসেবে আইডিআরএ কর্তৃপক্ষ হিসাবে কঠোর ও যুক্তিযুক্ত কাজ করেন কিনা, না কি তারা কারো কাছে নতি সিকার করে বা মাথা নিচু হইয়ে কারো স্বার্থ উদ্ধারে কোন ব্যক্তিবিশেষ বা কারো তাবেদারির কাজ হিসেবে (আইডিআরএ) কাজ করে যান, এটাই দেখার বিষয়। আর যদি বিআইএ’র কর্মকর্তাসকল এতই শক্তিশালি হয়ে থাকেন তাহলে প্রধানত কমিশনের ব্যপারসহ সবগুলো কোম্পানি কেন সকল বিষয়ে একক সিদ্ধান্তে উপনিত হতে পারে না।
একটি দেশের উন্নয়নে ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠান সবসময় দেশের আর্থিক ভূমিকা পালন করে আসছে, সে দেশে আর্থিক প্রতিষ্ঠান গুলি কারো দায় বা কারো তাবেদার হিসেবে কাজ করতে গিয়ে যদি কোন ঝামেলা শিকার হয় তার জন্য দ্বায়ী কে? বর্তমানে ইন্স্যুরেন্সের মালিক পক্ষের বেশকিছু লোক এখনো ফ্যাসিবাদি কায়দায় নিজেদের ভিতরে কর্তৃত্ব খাটানোর জন্য দেশে এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠান গুলির থেকে চাঁদাবাজি এবং নিজেদের প্রভাব খাটিয়ে যাচ্ছেতাই অবস্থা করে যাচ্ছেন, যার কারনে জিডিপিতে অবদান রাখা বীমাখাত দেশের অর্থনীতিতে সুন্দর ভূমিকা রাখার পরিবর্তে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে গিয়ে দাঁড়িয়েছে।
একজন সরকারি কর্মকর্তা সাধারনত নির্দিষ্ট বয়স এবং তার কোন কর্ম যোগ্যতা হারান বলেই নিয়মানুযায়ী তখনই তাকে অবসরে পাঠানো হয় বা সরকারি চাকরি থেকে তিনি অবসর গ্রহন অর্থাৎ সেই ক্ষেত্রে তিনি কাজের অযোগ্য, উল্লেখ্য যে তিনি যদি যোগ্য থাকতেন তাহলে সরকার তাকে স্বস্বক্ষেত্রে মেয়াদ না বাড়িয়ে দুই বছর অবসর থাকার পর আবার অন্য কোন প্রতিষ্ঠানে ডেপুটি হিসাবে নিয়োগ দেন, এ অবসর কি ঐ ব্যক্তির পুনরায় কর্মযোগ্যতার মাপকাঠি কি না দেখার বিষয়, যেহেতু এসব পদের যোগ্য অনেক লোকই দেশে আছেন।
কোন যৌক্তিক কারন না থাকা সত্ত্বেও বিআইএ নিকট পরাজিত হয়ে নিজস্ব কোনো ভূমিকা গ্রহণ করতে পারেননা বা কোন পাওয়ার না খাটিয়ে দীর্ঘ অবস্থায় কোম্পানিগুলোকে তাদের উপরে তুলে দিয়েছেন এতে কিছু কোম্পানি তার নিজস্ব ব্যবসার স্বার্থে সুযোগ সুবিধা আদায় করতে গিয়ে অ্যাসোসিয়েশন নিজস্বভাবে সফটওয়্যার তৈরি করে সকলের নিকট ব্যবসা করা এবং কোম্পানিগুলির তথ্য আদান প্রদানের নামে কোন মাফিয়া চক্রের হাতে তুলে দেওয়ার আশঙ্কাও যেমন উড়িয়ে দেওয়া যায় না ঠিক তেমনি কোম্পানিগুলি থেকে দুর্বলতার সুযোগ আদায় করার কথাও বাদ দেয়া যায় না বলেও লাইফ এবং নন-লাইফ বীমা কোম্পানির বেশিরভাগ ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ডেপুটি ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মতামত দেন। এখানে উল্লেখ্য করা যায়, ইন্স্যুরেন্স ডেভেলপমেন্ট এন্ড রেগুলেটরি অথরিটির (আইডিআরএ) এর সাথে বীমা কোম্পানিগুলির (লাইফ, নন-লাইফ) ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের কার্যনির্বাহী সভায় দুএকজন ব্যবস্থাপনা পরিচালক/সিইও কোম্পানিগুলির স¦ার্থে কোন কথা বললে সবাই নিরব সম্মতি দেন এবং মৃদুহেসে মজা নেন, পরবর্তিতে আবার কাউকে পাওয়া যায়না সহযোগী হিসাবে। বিশেষত আইডিআরএ’র চাপের মুখে চিহ্নিত হয়ে যাওয়াসহ চাকুরি হারানোর ভয়ে, যেহেতু ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের চাকুরি চুক্তি ভিত্বিক, পার্মানেন্ট বা স্থায়ী নয়।

বিশেষ করে নন-লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিগুলি বর্তমানে যে অসম কমিশন প্রতিযোগিতার বিভিন্ন ঝামেলার ভেতরে পড়ে থাকা সত্ত্বেও আইডিআরএ’র কোন উল্লেখযোগ্য ব্যবস্থা নেওয়ার মতো কোন উদ্বোগ পরিলক্ষিত হয়নাই এর জন্য দায়ী কে? কোম্পানিগুলোর একক অবস্থা এবং বাংলাদেশের ইন্স্যুরেন্স খাতকে বেহাল অবস্থায় নিয়ে যাওয়ার জন্য সরকারের ভিতর বিভিন্ন পরিস্থিতিতে দেশের বীমাখাতকে একটা ফ্যাসিশক্তির নিকট পরাজয় স্বীকার করে কেন? যদি না হয় তাহলে একশ্রেণীর ক্ষমতার লোভী লোক বা তাদের নিজস্ব স্বার্থে কোম্পানিগুলিকে চাঁদা আদায়ের উৎস হিসাবে ব্যবহার করে নিজস্ব স্বার্থ হাসিলের কাজ করে যাচ্ছেন। অনেকেই এতে দ্বিমত পোষণ করলেও ইন্স্যুরেন্স ডেভেলপমেন্ট এন্ড রেগুলেটরি অথরেটি (আইডিআরএ) এখানে কোন ভুমিকা রাখতে পারেন নাই। ফ্যাসিবাদি পলাতক সরকারের প্রেতাত্বা এবং বহু অপকর্মের হোতা বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিশেন (বিআইএ) এর সেক্রেটারী জেনারেল নিশীথ কুমার সরকার দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন, বিআইএ এখনো তাঁর বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিয়েছে কি না জানা যায় নাই।
আমরা আশা করব, অ্যাসোসিশেন অনৈতিক বা অসমর্থিত কোন তাবেদার গোষ্টির প্রভাবের নিকট মাথানত না করে দেশের ইন্স্যুরেন্স খাতকে শক্তিশালী করার জন্য বিআইএ’র ২০২৫-২৬ এর নির্বচিত কমিটি একটা ভাল এবং শক্ত ভূমিকা রাখবে, যেখানে বিভিন্ন দুর্নীতি, অনিয়ম, অদক্ষতা এবং অবৈধভাবে ব্যবসা করার দ্বায় কোন প্রতিষ্ঠান বা কোন ব্যক্তিকে নিতে হবে না। যেকোন দুষ্ট চক্রের হাত থেকে জিডিপির অংশীদার দেশের বীমাখাত সফল ভূমিকা রাখবেন বলে সকলের প্রত্যাশা।
চলবে….